× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

ঠাকুরগাঁওয়ে অনিয়ন্ত্রিত চার্জার গাড়ীর কারনে ঘটছে দুর্ঘটনা

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬

আব্দুল আউয়াল, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি ঃ ঠাকুরগাঁও জেলা শহর সহ উপজেলা গুলোতে অ-প্রশিক্ষিত অটো চার্জার ও অটো রিক্সা চালকদের বেপরোয়া গতির কারনে ঘটছে দুর্ঘটনা।

পরিসংখ্যানে জানা যায়, ৩টি পৌর শহর ও ২টি উপজেলা শহরে পাঁচ হাজারেরও বেশী ব্যাটারি চালিত চার্জার গাড়ী প্রতিদিন রাস্তায় চলাচল করে।

পৌরসভার অধীন চার্জার গাড়ী গুলো পৌর কর্তৃপক্ষ ও উপজেলার অধীন গাড়ী গুলো ইউনিয়ন পরিষদের অনুমতিপত্র নিয়ে চলে। কিন্তু চলাচলের লাইসেন্স পাওয়া চার্জার গাড়ীর চালকদের নেই কোন প্রশিক্ষণ।

চার্জার গাড়ীর জন্য নেই নির্দিষ্ট কোন পার্কিং ব্যবস্থ্ অটো রিক্সা বা গাড়ী গুলো যত্রতত্র পার্কিং করার কারনে সৃষ্টি হচ্ছে যানজট আর ঘটছে দুর্ঘটনা।

তাছাড়া চার্জার গাড়ী চালকদের বেশির ভাগেরই নেই ট্যাফিক আইন সম্পর্কে কোন ধারনা। অধিকাংশ চালকই হচ্ছেন অপেশাদার। চালকদের কেউবা শ্রমিক দিনমজুর, কেউ বেকার আবার কেউবা কৃষক।

ট্রাফিক আইন না জানায় তারা ডান বাম না দেখে এবং রাস্তার মোড় ঘোরার সময় গতি না কমিয়েই বেপরোয়া চলছে। তাই মোড় ঘোরার সময় অনেক চার্জার রিক্সা যাত্রীসহ উল্টেও পড়ছে।

আবার যাত্রীর ডাক শোনা মাত্রই সিগন্যাল না দিয়ে এবং পিছনে না তাকিয়েই তারা চলন্ত অবস্থায় ইউ টার্ন নিচ্ছে।

এতে পিছনে থাকা মটর বাইক বা অন্য পরিবহন গুলো আচমকা ধাক্কা খেয়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। শহর গুলোতে দিন দিন বেড়েই চলেছে অঘটন।

মহাসড়কে নিয়ন্ত্রনহীন চলাচলের কারনে বড় দুর্ঘটনায় মৃত্যুও ঘটছে চার্জার গাড়ীর যাত্রীগনের। গত মাসে মহাসড়কের পাশে অবস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কয়েকজন কর্মচারী অফিস টাইমের পর অটো চার্জারে শহরে আসার সময় ট্রাকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই দুই জনের মৃত্যু হয়।

পঙ্গুত্ব বরন করেন একজন। গত ১৬ মার্চ পৌর সভার গোবিন্দনগরে দুর্ঘটনায় মৃত্যু ঘটে এক যাত্রীর। গুরুত্বর আহত হন চালক সহ দুইজন। ট্রাফিক আইন না জানায় এবং বেপরোয়া গতির কারনে চার্জার গাড়ীর চালকদের সাথে বিপন্ন হচ্ছে যাত্রী ও সাধারন মানুষের জীবন।

যদিও চার্জার রিক্সা বা অটো গাড়ী গুলোর কারনে সময় বাচছে যাত্রীর কিন্তু কমেছে জীবনের নিরাপত্তা। তবে প্রশাসনের সার্বিক নিয়ন্ত্রন আর চালকদের স্বল্প মেয়াদী প্রশিক্ষনের মাধ্যমে অনাকাঙ্খিত দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব।

ট্রাফিক আইন অবহিত করতে পর্যায়ক্রমে চালকদের প্রশিক্ষনের উদ্যোগ জররী প্রয়োজনে প্রশিক্ষনের জন্য চালকদের কাছ থেকে সামান্য ফি নিয়ে তাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেয়া যেতে পারে।

আবার প্রশাসনের মনিটরিং টিমের দ্বারা যত্রতত্র পার্কিংকারী ও বেপরোয়া গতির চালকদের জরিমানা করেও দুর্ঘটনা কমানো যায়। এতে করে দুর্ঘটনার হাত থেকে রেহাই পাবে চালকসহ সাধারন মানুষ। আর নিশ্চিত হবে শহরের নিরাপদ সড়ক।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..