× Banner
সর্বশেষ
প্রথমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বারোপ গুনভর ইউএসএর কাছ থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানিতে নীতিগত অনুমোদন সংসদের গণপূর্ত প্রকৌশলীর কার্যালয়ে আগুন, তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ উন্নয়নকাজে অনিয়ম করলে ঠিকাদারকে কালোতালিকাভুক্ত করা হবে – গৃহায়ণ প্রতিমন্ত্রী সিটি করপোরেশন হচ্ছে কক্সবাজার – প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৩ জনের মৃত্যু, ভর্তি ৫১২ দেশে হাম উপসর্গে প্রাণ গেল ৩ শিশুর, মৃত্যু বেড়ে ৮২৮ বাংলাদেশকে কম দামে ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া মানবসম্পদ উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতার পালাবদলে বদলে গেছে রাজনৈতিক অবস্থান,শৈলকুপায় ইছহাক হোসেনকে নিয়ে তুমুল আলোচনা

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে অন্তঃসত্ত্বার গর্ভপাত ঘটালো চিকিৎসক, আদালতে ধর্ষণ মামলা

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৪ মার্চ, ২০২৩
গর্ভপাত ঘটালো চিকিৎসক

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে অন্তঃসত্ত্বা এক যুবতীর গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ উঠেছে দারুশ শেফা প্রাইভেট হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আদালতে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ওই যুবতী। এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতে মামলার প্রধান আসামি এ.এফ রাফাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মামলার অন্য দুই আসামি মিতু ইসলাম ও তার স্বামী সুমনকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, কালীগঞ্জ শহরের পাইকপাড়া এলাকার ২০ বছর বয়সী ওই যুবতীর সাথে নিমতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকার বাসিন্দা শওকত আলীর ছেলে এ.এফ. রাফা (২০) নামের এক যুবকের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই সম্পর্কের সূত্র ধরে রাফা ওই নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নিমতলা বাসস্ট্যান্ডে নিজ বাসায় নিয়ে তার সাথে শারীরিক সম্পর্কে আবদ্ধ হয়। এতে করে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর সে তার প্রেমিককে জানায় এবং বিয়ের জন্য বললে প্রেমিক রাফা তাকে বিয়ে করে ঘরে তুলে নেওয়ার মিথ্যা আশ্বাস দেয়।

অপরদিকে রাফা যশোর কোতোয়ালি থানার লোহাপট্টির বাসিন্দা নিজ ভগ্নিপতি সুমন মিয়া এবং বোন মিতু ইসলামের সাথে গর্ভপাত ঘটানোর ব্যাপারে পরামর্শ করে। সেই অনুযায়ী রাফা তার প্রেমিকাকে নিয়ে কালিগঞ্জ বাজারে কালিবাড়ির সামনে অবস্থিত দারুশ সেফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে গিয়ে ডাঃ রেক্সোনা পারভীনের তত্ত্বাবধায়নে গর্ভপাত ঘটায়। গর্ভপাত ঘটানো প্রক্রিয়া যথাযথভাবে না হওয়ায় ওই নারীর প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয় এবং সে খুব অসুস্থ হয়ে পড়ে। এসময় ডাঃ রেক্সোনা পারভীন রোগীকে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যেতে বলেন। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর আলট্রাসনোগ্রাফি করার জন্য বলেন। সরকারি হাসপাতাল থেকে পুনরায় ওই রোগীকে দারুশ শেফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারে নিয়ে এসে ডাঃ রেক্সোসানা পারভীনকে দিয়েই করা হয় আলট্রাসনোগ্রাফি। সেই রিপোর্ট নিয়ে পুনরায় সরকারি হাসপাতালে গেলে সেখানকার ডাক্তার জানান, বাচ্চার কিছু অংশ পেটের ভেতরে আছে। প্রাইভেট ক্লিনিকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত গর্ভপাত ঘটানোর কোন নিয়ম-নীতি না থাকলেও দারুশ শেফা হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনোস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক রেক্সোনা পারভীন ওই নারীর অসম্পূর্ণভাবে গর্ভপাত ঘটিয়ে অন্তঃসত্ত্বা নারীর জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলেন ।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আলমগীর হোসেন জানান, এভাবে গর্ভপাত ঘটানো সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। কেউ অভিযোগ দিলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সিভিল সার্জন মহোদয়কে জানানো হবে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি আব্দুর রহিম মোল্লা ধর্ষণ মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এই মামলার প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আমরা আদালতে প্রেরণ করেছি। বাকিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..