× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

জয়পুরহাটে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ২

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৪ জুন, ২০১৬

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জেলার সদর উপজেলায় পুলিশের সঙ্গেবন্দুকযুদ্ধেদুই যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুরকোঁচকুড়ি সড়কে ঘটনা ঘটে।

নিহত দুজন হলেন মোহাম্মদ সোহেল (৩৫) মুনির হোসেন (৩২) তাঁদের মধ্যে সোহেল ভাদসা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কে আজাদ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন। আর  মুনির হোসেন তাঁর সহযোগী বলে পুলিশ দাবি করেছে

সোহেল ভাদসা ইউনিয়নের ছাওয়ালপাড়া গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। মুনির হোসেন কোঁচকুড়ি গ্রামের লুৎফর রহমানের ছেলে। তাঁদের মৃতদেহ জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে

পুলিশের ভাষ্য, সোহেল মুনিরের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ফরিদ হোসেন, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মশিউর রহমান কনস্টেবল মোস্তাফিজ আহত হন। তাঁদের জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের পর ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি গুলি, একটি ম্যাগাজিন দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে

জয়পুরহাটের সহকারী পুলিশ সুপার(এএসপিসার্কেল) অশোক কুমার পাল জানান, ভাদসা ইউপির নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান কে আজাদ হত্যা মামলার আসামিরা তাঁদের গ্রামের বাড়ি কোঁচকুড়ি গ্রামে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে খবর পায় পুলিশ। এর ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাতে জয়পুরহাট সদর থানার ওসি ফরিদ হোসেন ঘটনাস্থলের দিকে যান। গোপালপুর বাজার অতিক্রম করে কোঁচকুড়ি সড়কে ওঠামাত্র আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও গুলি ছোড়ে। ওই সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলি হয়

খবর পেয়ে আশপাশের গ্রামের লোকজন লাঠিসোঁটা নিয়ে ছুটে আসলে আসামিরা পালিয়ে যায়। পরে গোপালপুরকোঁচকুড়ি সড়কে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ

গত জুন স্থানীয় দূর্গাদহ বাজার থেকে মোটরসাইকেলে করে নিজ বাড়ি কোঁচকুঁড়ি গ্রামে ফিরছিলেন একে আজাদ। পথে মুখোশধারী দুর্বৃত্তরা তাঁকে কুপিয়ে গুলি করে জখম করে। ওই সময় নয়ন চন্দ্র নামে এক পথচারীকেও গুলি করে মুখোশধারীরা। গুলিতে আহত চেয়ারম্যান আজাদ গত রোববার ভোরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান


এ ক্যটাগরির আরো খবর..