× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

নিজস্ব প্রতিবেদক

জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী

ACP
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, ২০২৬
রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া
রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের একজন সামরিক কর্মকর্তা থেকে রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরের প্রক্রিয়ার প্রধান কারিগর ছিলেন মরহুম মশিয়ূর রহমান (যাদু মিয়া) বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়া স্মৃতি জাতীয় কমিটি আয়োজিত মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার ১০২তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

জহির উদ্দীন স্বপন বলেন, মশিয়ূর রহমান যাদু মিয়ার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার ফলেই জিয়াউর রহমান রাজনৈতিক নেতৃত্বে আসতে পেরেছিলেন।

একজন সামরিক কর্মকর্তাকে রাজনৈতিক নেতায় রূপান্তরের কঠিন দায়িত্ব তিনি সফলভাবে পালন করেছিলেন। এর ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠিত হয় এবং পরবর্তী সময়ে দলটি দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও ১৯৭৫ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দেশে গভীর রাজনৈতিক শূন্যতা ও সংকট তৈরি হয়েছিল। সে সময় প্রায় সব রাজনৈতিক ধারাই দিকনির্দেশনাহীন অবস্থায় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক গতিপথ নির্ধারণে যাদু মিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, তৎকালীন অনেক নেতাই স্বৈরশাসনের সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু ভবিষ্যৎ রাষ্ট্র ও রাজনীতির রূপরেখা নিয়ে যাদু মিয়ার মতো দূরদর্শিতা অন্যদের মধ্যে দেখা যায়নি। সেই দূরদর্শিতার কারণেই তিনি জিয়াউর রহমানকে রাজনৈতিক নেতৃত্বে নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, বিএনপির প্রতিষ্ঠা এবং পরবর্তীকালে বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা সবকিছুর সূচনায় যাদু মিয়ার অবদান রয়েছে। তাই তাঁর রাজনৈতিক কৃতিত্ব বাংলাদেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন– ছড়াকার আবু সালেহ, জ্যেষ্ঠ শিক্ষাবিদ ড. মাববুব উল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু, ভাষানী জনশক্তি পার্টির সভাপতি শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গাজীউল হাসান খান প্রমুখ।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..