× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় আবারও সময় চাইলেন খালেদা জিয়া

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০১৬

স্টাফ রিপোর্টার :  জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আবারও সময় পেয়েছেন। আগামী ৫ জানুয়ারি নতুন করে দিন ধার্য করেছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর বকশীবাজার এলাকার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য হাজির হন খালেদা জিয়া।

শুরুতে তাঁর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সময়ের আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, ‘এ মামলার একটি আদেশ নিয়ে আমরা উচ্চ আদালতে রিট পিটিশনদায়ের করেছি, যা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। তাই সময় আবশ্যক।’

শুনানি শেষে বিচারক আবু আহমেদ জমাদার সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে আগামী ৫ জানুয়ারি দিন নির্ধারণ করেন। এর আগে ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া তাঁর আত্মপক্ষ সমর্থনের লিখিত বক্তব্যের আংশিক পড়ে শোনান।পরে ১৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। ওই দিন বিচারক সময়ের আবেদনমঞ্জুর করে খালেদা জিয়াকে ২২ ডিসেম্বর আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা থেকে জানা যায়, ২০০৫ সালে কাকরাইলে সুরাইয়া খানমের কাছ থেকে ‘শহীদ জিয়া চ্যারিটেবলট্রাস্ট’-এর নামে ৪২ কাঠা জমি কেনা হয়। কিন্তু জমির দামের চেয়ে অতিরিক্ত এক কোটি ২৪ লাখ ৯৩ হাজার টাকা জমির মালিককে দেওয়া হয়েছে বলে কাগজপত্রে দেখানো হয়, যার কোনো বৈধ উৎস ট্রাস্ট দেখাতে পারেনি। জমির মালিককে দেওয়া ওই অর্থ ছাড়াও ট্রাস্টের নামে মোট তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা অবৈধ লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের নামে তেজগাঁও থানায় দুর্নীতিরঅভিযোগে এ মামলা করেছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক হারুন-অর-রশিদ।এ মামলার অপর আসামিরা হলেন—খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..