সম্প্রতি আমেরিকার হাওয়াইয়ে, জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হামাদা ইয়াসুকাযু, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন এবং অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এক বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। এই বৈঠকে জাপান, আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষা প্রধানরা, দেশ তিনটির মধ্যে পারস্পরিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার করতে সম্মত হয়েছেন।
বৈঠকে হামাদা ইয়াসুকাযু তার প্রতিপক্ষদের কাছে, আইনের শাসনের ভিত্তিতে একটি মুক্ত ও অবাধ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল বজায় রাখা ও শক্তিশালীকরণে দেশ তিনটির ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের বিষয়টি অতীতে আর কখনো এত বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল না বলে উল্লেখ করেন। মন্ত্রীরা, তাদের দেশগুলো যৌথ প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা প্রসারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উল্লেখ্য, প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোর উপর চীন দ্রুত প্রভাব বৃদ্ধি করে চলার মাঝে এই মতৈক্য অর্জিত হলো। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন বলেছেন যে, “তাইওয়ান প্রণালী’সহ অন্যান্য অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান আগ্রাসী জবরদস্তিমূলক আচরণ নিয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন”।
জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী হামাদা ইয়াসুকাযু জানান যে, জাপান সরকার আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করতে – চলতি বছরের শেষ নাগাদ জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল ও সংশ্লিষ্ট প্রতিরক্ষা কর্মসূচিগুলো পর্যালোচনা করার পরিকল্পনা করছে।
কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও অস্ট্রেলিয়া মিলে কী ভারতকে পাশকাটিয়ে এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীন বিরোধী নতুন কোন বিকল্প জোট গঠন করতে চলেছে? জনবহুল ভারতের অনুপস্থিতিতে সম্ভাব্য এই জোট কী চীনের আধিপত্য মোকাবেলা করতে আদৌ সক্ষম?





