× Banner
সর্বশেষ
ভ্যালু-বেইজড শিক্ষা, কমিউনিটি সম্পৃক্ততা ও নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ-প্রাথমিক শিক্ষার নতুন অগ্রাধিকার -প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী প্রবাসীদের জন্য হয়রানীমুক্ত বিমান সেবা নিশ্চিতে আমরা বদ্ধ পরিকর -বিমান মন্ত্রী ২০২৭ সালের হজে বিমান ভাড়া কমলো ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা লক্ষ্মীপুরে সড়ক সংস্কার কাজে দায়িত্বে অবহেলায় ৪ পৌর কর্মকর্তাকে শোকজ প্রবাসী কার্ডধারীদের জন্য ভূমিসেবা সহজ করার নির্দেশ ভূমিমন্ত্রীর  গৃহবধু লামিয়া আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় শ্বশুর ও দুই ননদ গ্রেফতার ফ্রান্স বাংলাদেশের নির্ভরযোগ্য ও বন্ধুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই  -যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আগৈলঝাড়ায় নতুন ইউএনও’র সঙ্গে প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের মতবিনিময় পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের আরও দায়িত্বশীল ও সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে -এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

গাংনীর তিন সহোদর হত্যা মামলায় একজনের ফাঁসি দুই জনের যাবজ্জীবন

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

মেহের আমজাদ,মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার ধলা গ্রামের তিন সহোদর হত্যা মামলায় জেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ভারতে পলাতক দুখু বাহিনী প্রধান দুখুর ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় দুখুর সহযোগী আজিমুদ্দীন ও চেতন আলীকে যাজ্জীবন কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে মেহেরপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বিজ্ঞ বিচারক টি.এম মুসা এক জনাকীর্ণ আদালতে ওই আদেশ দেন। ৩২ জন আসামির মধ্যে তিন জন দন্ডিত এবং বাকিরা বেকুর খালাস পেয়েছেন। এর মধ্যে দুখু ও তার সহযোগী আজিম উদ্দীন ভারতে পলাতক রয়েছেন। চেতন আলী রায় ঘোষণার সময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের বিরোধকে কেন্দ্র করে ২০০৮ সালের ৩০ আগষ্ট রাতে গাংনী উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী ধলা গ্রামে এক কিলিং মিশনে ইউপি সদস্য ইমদাদুল হক ও তার ভাই জাহিদুল ইসলাম এবং রুহুল আমিনকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা।

হত্যাকান্ডের পরদিন নিহত ইমদাদুল হকের স্ত্রী রেনুকা খাতুন বাদি হয়ে বাহিনী প্রধান দুখুকে প্রধান আসামি করে ১৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০/১৫ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেন। ওই বছরের ৩০ নভেম্বর দুখুসহ ৩২ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গাংনী থানার মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা। মামলায় ৪০ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত ওই রায় ঘোষণা করেন।

এদিকে রায় ঘোষণার পর বাদি পক্ষের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে রায়ে প্রধান আসামির ফাঁসির আদেশ হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মেহেরপুর জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) কাজী শহিদুল ইসলাম। তিনি বেকসুর খালাস হওয়া আসামিদের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিলের কথা জানিয়েছেন। মামলায় আসামী পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল মতিন, অ্যাডভোকেট শহীদুল্লাহ ও অ্যাডভোকেট শাহীনুর রহমান।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..