× Banner
সর্বশেষ
ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন আজ পদত্যাগ করতে পারেন, দাবি রয়টার্সের টিপকাণ্ডে বরখাস্ত কনস্টেবল নাজমুল তারেককে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত

কালকিনিতে মরিচের ভালো দাম না পাওয়ায় কৃষকের মাথায় হাত

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৩ জুলাই, ২০১৬

মো. আমির সোহেল, কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি: মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এবার মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে তুলনামুলক দাম পাচ্ছেনা কৃষক। চলতি মৌসুমে ৬৭১ হেক্টর জমিতে মরিচ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও তা ছাড়িয়ে ৭০০ হেক্টরে মরিচের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকলে ৯০০ টনের বেশি মরিচ উৎপাদন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৌসুমের শুরুতে কাঁচা মরিচ বিক্রি করে লাভবান হলেও শুকনা মরিচের ভালো দাম না পেয়ে কৃষকের মাথায় হাত।

সরেজমিন দেখা গেছে, গৃহস্থদের বাড়ির উঠানগুলো এখন লাল মরিচে ঢাকা। কৃষাণীদের পাশাপাশি শিশু-কিশোররাও মরিচ তোলা আর শুকানোর কাজে ব্যস্থ্য সময় কাটাচ্ছে। উপজেলা সদরসহ আশপাশের চরে মরিচের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। খাসের হাট বাজারে কথা হয় মরিচ চাষি ইদ্রিস বেপারীর সঙ্গে তিনি বলেন, এবার ব্যাপক হারে মরিচ চাষ হয়েছে কিন্তু সে পরিমানে দাম না পাওয়ার ফলে এবছর মরিচ চাষে লোকসান গুনতে হবে। ঝড়-বৃষ্টির কারনে মরিচ খেতে পানি জমানোর কারনে যে পরিমানে মরিচ উৎপাদনের লক্ষ ছিলো তা সম্ভাব হয়নি। কাঁচা মরিচেরও তেমন দাম পাওয়া যায়নি। তেমনি শুকনো মরিচের দামও গত বছরের তুলনায় কম। গত বছর ২হাজার টাকা শুকনো মরিচ বিক্রি হয়েছে। এবার তার চেয়ে দাম কম।

মরিচ ব্যবসায়ী আঃ বারেক বেপারী জানান, উৎপাদন অনুযায়ী এবার দাম কম, কিন্তু চাহিদাও কম এবং ক্রেতার ভালো দামে কিনছেনা ফলে কৃষকের লোকসান গুনতে হচ্ছে। তিনি আরো জানান, এখন বাজারের টোপা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা মণ। যেখানে গত বছর দাম ছিল ৭০০ টাকা।

কৃষক মাজিদ বেপারী জানান, চরের জমিতে খুব সহজেই এখন মরিচ চাষ করা যাচ্ছে। চরে উৎপাদিত মরিচের স্থানীয়ভাবে সুষ্ঠু বাজারজাতের সুযোগ না থাকায় কৃষকরা প্রকৃত মূল্য পাওয়া থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। মধ্যস্বত্বভোগী একশ্রেণির ব্যবসায়ী তাদের কাছ থেকে কম দামে মরিচ কিনে জেলা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে তা বিক্রি করে প্রচুর মুনাফা অর্জন করছে। এ বছর ভালো মানের মরিচ অধিক মূল্যে বিক্রি করার কথা ছিলো। অন্যান্য ফসলের তুলনায় মরিচ চাষ লাভজনক হওয়ায় কৃষকরা এদিকে ঝুঁকে পড়লেও এবছর লোকসানে পরতে হয়েছে।

এ ব্যাপারে কালকিনি কৃষি কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, এ উপজেলায় মরিচের বাম্পার ফলন হয়েছে। উৎপাদন অনুযায়ী এবার চাহিদা কম এবং ক্রেতা না থাকায় দামও কম, তবে বাকি সময়টা আবহাওয়া অনুকূলে না থাকায় এবছর মরিচে কৃষকের মুখে হাসি দেখা জাবেনা, এবার মরিচ চাষিরা লোকসানে পরেছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..