আমেরিকায় আবার বন্দুক হামলা। এবার ওকলাহামায় টুলসার একটি মেডিক্যাল সেন্টারে বন্দুক হামলায় চারজন নিহত হওয়ার খবর মিলেছে সংবাদ সংস্থা সূত্রে।
বুধবার(১ জুন) বিকেলে এই ঘটনা ঘটে। সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছে বলে জানায় কর্তৃপক্ষ। তবে ঠিক কী কারণে এই হামলা, তা এখনও স্পষ্ট জানা যায়নি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেন্ট ফ্রান্সিস মেডিক্যাল ক্যাম্পাসে সশস্ত্র এক ব্যক্তি রাইফেল নিয়ে গোলাগুলি শুরু করে। বুধবার একটি সংবাদ সম্মেলনের সময় টুলসা পুলিস বিভাগের উপ-প্রধান এরিক ডালগলিশ মৃতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন এবং বলেছেন, সন্দেহভাজন বন্দুকধারীও মারা গেছে। তার কাছে একটি রাইফেল ও একটি হ্যান্ডগান ছিল। সন্দেহভাজন ওই বন্দুকধারীর নাম প্রকাশ করেনি পুলিস। তবে তাঁর বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, গোলাগুলির খবর পাওয়ার তিন মিনিটের মধ্যেই পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। মিনিট পাঁচেক পরই হামলাকারীকে শনাক্ত করে তারা। পুলিস জানিয়েছে, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। এদের মধ্যে দু’জন পুরুষ ও একজন নারী। তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।
হাসপাতালের নাতালি ভবনের তৃতীয় তলায় গোলাগুলি হয়। সেখানে চিকিৎসকদের অফিস ও অর্থোপেডিক সেন্টার ছিল। নিহতদের মধ্যে রোগী ও হাসপাতালের কর্মচারী রয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিস।
তবে হিংসার বিরুদ্ধে সরব আমেরিকার নাগরিকরা। ইতিমধ্যেই মার্কিনিরা ব্যক্তিগত অস্ত্র আইন সংস্কারের দাবি জানান। এছাড়া বন্দুক হামলা বন্ধে অস্ত্রবিরোধী বিভিন্ন ব্যানার ও স্লোগানের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানান তাঁরা।





