অযোধ্যা, মথুরা, কাশিসহ ভারতের ১২টি স্থানে মন্দির ভেঙ্গে মসজিদ করা হয়েছে -ওয়াসিম রিজভী

কেবল অযোধ্যার বিতর্কিত জমিই নয়, মথুরা, কাশিসহ ভারতের ১১ টি মসজিদকে মুসলমানদের হিন্দুদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত, যেগুলি মন্দির ভেঙে মুঘল সম্রাটদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল। এর মধ্যে রয়েছে দিল্লির কুতুব মিনার মসজিদ কমপ্লেক্সে অবস্থিত মসজিদ এবং গুজরাট ও কিছু অন্যান্য রাজ্যের বিতর্কিত মসজিদও যুক্ত আছে। এমনকি তাজমহল আগে শিবের মন্দির ছিল বলেও দাবি করা হয়। বলা হয় তাজমহলের আসল নাম ছিল তেজমহালয়। বলেছেন উত্তর প্রদেশের শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারম্যান ওয়াসিম রিজভী।

তিনি আরও বলেছেন যে মুঘলরা ভারতে এসে বহু হিন্দুকে জোরপূর্বক ইসলাম কবুল করিয়েছিল। যারা জাজিয়া কর দিতে পারতো না তাদেরকেও ইসলাম কবুল করানো হতো। আর সেই সময় বহু মন্দিরকে ভেঙে মসজিদে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

জানিয়ে দি যে শীর্ষ আদালতে মধ্যস্থতার উদ্যোগের অংশ হিসাবে উত্তরপ্রদেশ সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড যে চারটি শর্তের ভিত্তিতে অযোধ্যার বিতর্কিত ভূমিতে তার দাবি ছাড়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো শীর্ষ আদালত। গ্যারান্টি দিয়েছিলেন যে মথুরা, কাশী বা অন্য কোনও বিতর্কিত মসজিদের বিষয়টি ভবিষ্যতে আর উঠবে না অযোধ্যা বিরোধ পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সমাধান হওয়ার পরে।

শনিবার এক বিবৃতিতে রিজভী বলেছিলেন যে অযোধ্যার বিতর্কিত জমির কথা, জমিটি সুন্নি ওয়াকফের সম্পত্তি নয়, শিয়া ওয়াকফের সম্পত্তি। কারণ বাবরের সেনাপতি যিনি সেখানে বাবরি মসজিদ তৈরি করেছিলেন তিনি ছিলেন একজন শিয়া মুসলিম। সে কারণেই ইউপি শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ড সেই জমিতে দাবি করেছে। শিয়া ওয়াকফ বোর্ড কোনো দাবি ছাড়াই জমি হিন্দুদের দিতে রাজি হয়েছিল।

রিজভী বলেছিলেন যে, এ বিষয়ে UP শিয়া সেন্ট্রাল ওয়াকফ বোর্ডের পক্ষে সমস্ত নথি সুপ্রিম কোর্টে জমা দেওয়া হয়েছে। শিয়া ওয়াকফ বোর্ড সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন দিয়েছিল, স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১০-তে হাইকোর্ট অযোধ্যার বিতর্কিত জমিকে তিনটি ভাগে ভাগ করে, যা মুসলমানদের দেওয়া হয়েছিল, শিয়া ওয়াকফ বোর্ড এটাই চায় না। ভগবান রামের মন্দির তৈরির জন্য সেই অংশটি হিন্দুদের দেওয়া উচিত। ইন্ডিয়ার‍্যাগ

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।