× Banner
সর্বশেষ
বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছে সরকার: মির্জা ফখরুল পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

অবৈধ সম্পদের মামলা সরকার দলীয় এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লা খালাস

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৭ মার্চ, ২০১৯

বিশেষ প্রতিবেদক অসিত কুমার ঘোষ (বাবু)ঃ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন প্রমান করতে না পারায় সরকার দলীয় সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লাকে মামলায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার ঢাকার ১০ নম্বর বিশেষ জজ জয়নাল আবেদীন খালাসের এ আদেশ দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় হাবিবুর রহমান মোল্লা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

মামলায় অভিযোগ, ২০০৭ সালের ২৯ মে এমপি হাবিবুর রহমান মোল্লাকে তার নিজ, তার স্ত্রী, ছেলে-মেয়ের যাবতীয় স্থাবর/অস্থাবর সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করে দুদক। একই বছরের ১০ জুন তিনি হিসাব বিবরণী দাখিল করেন। পরে দাখিল করা সম্পদ বিবরণী যাচাইয়ের পর দুই কোটি ৩২ হাজার ৫৪৮ টাকা জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসংগতিপূর্ণ সম্পত্তি অর্জনের অভিযোগে হাবিবুর রহমান মোল্লার বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ৩ অক্টোবর রমনা থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুদকের সহকারি পরিচালক সৈয়দ আহমেদ।

মামলাটি তদন্ত করে ২০০৮ সালের ২০ এপ্রিল আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মাহবুবুর রহমান। ওই বছরের ১৪ মে আসামীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। মামলাটির বিচারকাজ চলাকালে আদালত ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। দুদকের পক্ষে প্রসিকিউটর গোলাম হায়দার চৌধুরী এবং আসামী পক্ষে সৈয়দ মিজানুর রহমান মামলাটি পরিচালনা করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..