বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে তুলে ধরা এবং বিদেশি পর্যটক আকর্ষণে কূটনীতিকদের সঙ্গে বিশেষ মতবিনিময় সভা করেছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড (বিটিবি)।
বিশ্ব পর্যটন দিবস ২০২৬ উপলক্ষে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) ‘কানেক্টিং ডেস্টিনেশন বাংলাদেশ: ট্যুরিজম অ্যাজ আ ব্রিজ ফর পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটি’ শীর্ষক এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিদেশি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে দেশের পর্যটনকেন্দ্রগুলোর অবকাঠামো ও সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি সেবার মান আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
ভুটান, চীন, ওমান, সিঙ্গাপুর, ইরান, আলজেরিয়া ও পাকিস্তানসহ বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক প্রতিনিধি এবং ইউনেস্কোর প্রতিনিধিরা সভায় অংশ নেন। আলোচনায় তারা বাংলাদেশের সুন্দরবন, সিলেটের প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য, ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহাসিক নিদর্শন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
বক্তারা বলেন, শুধু দর্শনীয় স্থান হিসেবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর পরিচিতি তুলে ধরলে হবে না। এসব স্থানের ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার গল্পও আকর্ষণীয়ভাবে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের সামনে উপস্থাপন করতে হবে। এতে বাংলাদেশের বিভিন্ন গন্তব্য আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।
বাংলাদেশের পর্যটন খাতের প্রচার ও ব্র্যান্ডিং জোরদারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), আধুনিক প্রযুক্তি এবং ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং ব্যবহারের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী দেশের পর্যটন খাতের সম্ভাবনা এবং এতে এআই প্রযুক্তির ব্যবহারের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। পরে বাংলাদেশের প্রধান পর্যটন আকর্ষণগুলো নিয়ে একটি বিস্তারিত উপস্থাপনা দেওয়া হয়।
সভায় বেসরকারি ট্যুর অপারেটরদের প্রতিনিধিরা বিভিন্ন সোর্স মার্কেটের চাহিদা বিবেচনায় আকর্ষণীয় প্যাকেজ ট্যুর তৈরি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন।
বিটিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদেশি প্রতিনিধিদের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, ঐতিহ্য ও আতিথেয়তার বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।





