কালীগঞ্জে রাখালগাছি ইউপির চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আজিবর রহমানের গণসংযোগ

কালীগঞ্জে রাখালগাছি ইউপির চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী আজিবর রহমানের গণসংযোগ
রাখালগাছি ইউপি নির্বাচনে আজিবর রহমান
​ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ১১ নং রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের আগামী  নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে জনগণের সাথে  কুশল বিনিময় ও গণসংযোগ  করেছে সাবেক শিক্ষক ও সাংবাদিক আজিবর রহমান। রোববার বিকেলে ইউনিয়ন এলাকার কুল্ল্যাপাড়া গ্রামে তিনি  গণসংযোগ ও ভোটারদের সাথে সাথে কুশল বিনিময় করেন।
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে কালীগঞ্জ উপজেলার ১১ নং রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদের বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী আজিবর রহমান হলেন এনায়েতপুর গ্রামের মৃত সদর মন্ডলের ছেলে।
তিনি ইংরেজি সাহিত্যে উচ্চশিক্ষা, দীর্ঘ শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা এবং বস্তুনিষ্ঠ সাহসী সাংবাদিকতার সুবাদে রাখালগাছি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের কাছে তিনি একজন অত্যন্ত পরিচিত, সুশিক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব।
আজিবর রহমান ​শহীদ জিয়ার আদর্শ থেকে শুরু করে রাজপথে অবিচল আছেন এখনও।  ১৯৭৯ সালে যখন তিনি অষ্টম শ্রেণির ছাত্র, তখন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ‘খাল কাটা কর্মসূচি’তে অংশ নেন। দুইবার শহীদ জিয়াউর রহমানের সাথে থেকে খাল কাটায় অংশ নেয়ার সেই স্মৃতি এবং দেশের প্রতি জিয়ার দেশপ্রেম তাকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) আদর্শে উদ্বুদ্ধ করে।
​
পড়াশোনা শেষ করে কালীগঞ্জের নলডাঙা ভূষণ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে ইংরেজি শিক্ষক হিসেবে দীর্ঘ ও কৃতিত্বপূর্ণ ক্যারিয়ার শুরু করার কারণে তিনি সরাসরি দলীয় কোনো পদ-পদবি নেননি। তবে শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী এই শিক্ষক একজন সাহসী ও বলিষ্ঠ কর্মী হিসেবে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখে গেছেন। এছাড়াও দেশের প্রথম সারির ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সাংবাদিক হিসেবে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করায় ইউনিয়নের সার্বিক সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে তার গভীর জানাশোনা রয়েছে।
​ত্যাগের ইতিহাস ও রাজনৈতিক নির্যাতন ​রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন সময়ে আজিবর রহমান ও তার পরিবারকে কঠিন ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ইউপি নির্বাচনে তার সহধর্মিণী মহিলা সদস্য হিসেবে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। তৎকালীন সরকার দলীয় হামলা ও লাঞ্ছনার শিকার হওয়া সত্ত্বেও তারা দলীয় আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি।
​পরবর্তীতে ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। একই বছর সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার কর্তৃক তার ও তার ছেলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত নাশকতার মামলা দেওয়া হয়, যার ফলে দীর্ঘ এক মাস তিনি নিজের গ্রামে প্রবেশ করতে পারেননি। সম্প্রতি ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও আজিবর রহমান ও তার মেজো ছেলে শাহরিয়ার আলম সোহাগ রাজপথে থেকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
তার ব্যাপারে মোঃ মিলন হোসেন বলেন
​রাখালগাছি ইউনিয়নবাসী বিশ্বাস করে, আজিবর রহমানের মতো একজন উচ্চশিক্ষিত, সৎ, ধার্মিক, অসাম্প্রদায়িক, পরোপকারী ও ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের শিক্ষা, সংস্কৃতি, স্বাস্থ্য, ক্রীড়া ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে যুগান্তকারী পরিবর্তন আসবে।
মোঃ আবু সালাম। আজিবর রহমান ভালো সাহসি শিক্ষিত।আগামী ইউপি সম্ভব্য প্রার্থী হিসাবে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে তাকে চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই
​আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ১১ নং রাখালগাছি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার আশা ব্যক্ত করে মোঃ আজিবর রহমান বলেন,​”আমি জীবনের দীর্ঘ সময় শিক্ষা বিস্তার ও সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের সেবা করেছি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মুখোমুখি হয়েও শহীদ জিয়ার আদর্শ ছাড়িনি।
রাখালগাছি ইউনিয়নের মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থেকে আজীবন তাদের খেদমত করতে চাই। দল যদি আমাকে যোগ্য মনে করে মনোনয়ন দেয়, তবে জনগণকে সাথে নিয়ে একটি আধুনিক ও দুর্নীতিমুক্ত মডেল ইউনিয়ন গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।”
​বর্তমানে তিনি রাখালগাছি ইউনিয়নের মোড়ে মোড়ে, চা-দোকানে ও পাড়া-মহল্লায় সাধারণ মানুষের সাথে কুশল বিনিময় করছেন এবং আসন্ন নির্বাচনের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
সংবাদ প্রতিনিধি

আরিফ মোল্ল্যা

এই সংবাদটি The News-এর সংবাদ প্রতিনিধি পাঠিয়েছেন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।