দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্যে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়ায় নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ২১তম বৈঠকে সংশোধনী অধ্যাদেশটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত আইনে পরিবর্তনের মাধ্যমে একদিকে দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষা করা হবে, অন্যদিকে ক্রয় প্রক্রিয়ায় আরও বেশি প্রতিযোগিতার সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি ক্রয় চুক্তির পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত বিধান সম্প্রসারণ এবং উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যক্রম আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
টেকসই সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা জোরদারের অংশ হিসেবে পণ্য, কার্য ও ভৌতসেবা ক্রয়ের ক্ষেত্রে নির্ণায়কভিত্তিক অনুপাতমূলক মূল্যায়নের বিধান রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত ‘রেটেড ক্রাইটেরিয়া’ ধারণার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এই ব্যবস্থায় একাধিক নির্ণায়কের ভিত্তিতে ক্রয় প্রস্তাব মূল্যায়ন করা হবে।
এ ছাড়া সম্পদের সুষম বিস্তার নিশ্চিত করতে সীমিত দরপত্র পদ্ধতির ব্যবহার সংক্রান্ত বিধান রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে পেশাগত অসদাচরণ-সংক্রান্ত বিষয়গুলো আরও স্পষ্ট করা এবং রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প পদ্ধতিতে ক্রয়ের সুযোগ রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় এসব সময়োপযোগী পরিবর্তন আনতেই ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় উপস্থাপন করা হয়।
লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের ভেটিং সাপেক্ষে খসড়া অধ্যাদেশটি মন্ত্রিসভায় চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে।
বৈঠকে মন্ত্রিসভার সদস্যদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।





