এলপিজি ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের মাধ্যমে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
তিনি বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে এলপিজির সরবরাহ ব্যাহত করে মূল্যবৃদ্ধির চেষ্টা সরকার মেনে নেবে না। এ ক্ষেত্রে ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন প্রয়োগ করা হবে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে এলপিজি অপারেটরদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন জ্বালানিমন্ত্রী।
ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি খাত এখন বড় ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দামের স্থিতিশীলতা নেই।
তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি আমদানির উৎস সীমিত হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ভোক্তাদের জন্য এলপিজির দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করছে সরকার।
মন্ত্রী আরও বলেন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ে এ ধরনের পরিস্থিতিতে ধর্মঘট করে দাম বাড়ানোর চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। কেউ ধর্মঘটের মাধ্যমে পণ্যের মূল্য বাড়াতে চাইলে সরকার ১৯৫৬ সালের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে।
আলোচনার মাধ্যমে সংকট সমাধানের আহ্বান
জনগণের প্রতি সরকারের দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, জনগণের আস্থা নিয়ে নির্বাচিত সরকার হিসেবে সাধারণ মানুষ যাতে ভোগান্তিতে না পড়ে, তা নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।
এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের পথে না গিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো আলোচনায় বসলে বিদ্যমান বিরোধ নিরসনের পথ বের করা সম্ভব।
নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ
সরকার নির্ধারিত মূল্য থাকা সত্ত্বেও বাজারে অতিরিক্ত দামে এলপিজি বিক্রির বিষয়ে সাংবাদিকেরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মন্ত্রী বলেন, এ সমস্যার সমাধান নিয়েই সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। সরকার বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।





