শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও মহান বিজয় দিবস-২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পালনের লক্ষ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ সকালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
সভায় দুই দিবসের জাতীয় কর্মসূচির খসড়া উপস্থাপন করা হয়। পাশাপাশি এসব কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা হয়।
প্রস্তাবিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ ও রায়েরবাজার বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন, জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সরকারি ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ, আলোচনা সভা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে বিশেষ প্রার্থনা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
দিবস দুটির অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানস্থলের ব্যবস্থাপনা নিয়েও সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। নিজ নিজ দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিবের স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। এতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন, পররাষ্ট্র, গৃহায়ন ও গণপূর্ত, তথ্য ও সম্প্রচার, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় শহীদ বুদ্ধিজীবীদের আত্মত্যাগ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ও বিজয় দিবসের আয়োজনে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।





