ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত ড. রুডিগার লোটজ।
বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জার্মানির বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা-গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ করে শিক্ষা ও গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, বৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা নিয়ে মতবিনিময় করেন তারা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রমের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।
জার্মানির উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং বৃত্তি কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার ওপর গুরুত্ব দেন উপাচার্য। তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার উপযোগী করে গড়ে তুলতে বিদেশি ভাষা শিক্ষা, ব্যবহারিক ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষার পাশাপাশি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে জার্মানির অভিজ্ঞতা ও সহযোগিতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে জার্মান রাষ্ট্রদূত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মানের প্রশংসা করেন। তিনি জার্মানিতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও বৃত্তির সুযোগ সম্পর্কে আলোচনা করেন।
রাষ্ট্রদূত দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর সম্ভাবনার কথাও তুলে ধরেন। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণকে শিল্প খাতের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, জার্মানিতে দক্ষ জনশক্তির চাহিদা রয়েছে। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী ও দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণেও দেশটি কাজ করছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও গবেষকদের সঙ্গে জার্মান শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর যোগাযোগ আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।
সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ-জার্মানি শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা, বৃত্তি, দক্ষতা উন্নয়ন, শিল্প-শিক্ষা অংশীদারত্ব এবং ভবিষ্যতে যৌথ কার্যক্রম গ্রহণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
সাক্ষাৎ শেষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জার্মানির সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং সহযোগিতা আরও জোরদার হবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে।





