× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

ক্ষেপেছেন কালীগঞ্জের ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকুরী নেয়া সেই শিক্ষক

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০১৮

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ ২১ জানুয়ারি’২০১৮:  ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে “এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকুরি করার অভিযোগ” শিরোনামে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় ও অনলাইন নিউজপোর্টালে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর ক্ষেপেছেন শিক্ষক হেলাল উদ্দিন। তিনি চাকুরী বাঁচাতে প্রভাবশালী বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

হেলাল উদ্দীন ৭ জানুয়ারি ২০১০ সালে কালীগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতপুর ইউনিয়নের চাপরাইল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে সহকারি শিক্ষক পদে যোগদান করেন। যোগদানের সময় ওই শিক্ষক ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকরি নেন। যার নিবন্ধন নং-৭০০৮৬৭৮/২০০৭ ও রোল নং-১১২০৩১৫৩। নিবন্ধনের ফল প্রকাশের তারিখ দেখানো হয় ২৬/১২/২০০৭। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ওই শিক্ষক নিবন্ধন পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন ২০১২ সালে। যার রোল-৩০৪২৫২০১। এখন প্রশ্ন উঠেছে ওই শিক্ষক ২০০৭ সালের ভূয়া নিবন্ধন দেখিয়ে চাকরিতে কিভাবে যোগদান করলেন?

জানাযায়, শিক্ষক হেলাল উদ্দীন সংবাদ প্রকাশের পর থেকে চাকরি বাঁচাতে প্রভাবশালীদের নিকট ধর্না দিয়ে আসছেন। আরো জানাযায়, তিনি ১ ডিসেম্বর ১০১২ থেকে জুন ২০১৫ পর্যন্ত প্রতিমাসে বেতন ভাতা তুলেছেন ১০হাজার ৪০০ টাকা। এছাড়া ১ জুলাই ২০১৫ থেকে এ পর্যন্ত তিনি প্রতিমাসে বেতনভাতা বাবদ উত্তোলন করছেন ১৭হাজার ৫০০ টাকা। এ হিসাবে শিক্ষক হেলাল উদ্দীন সরকারি কোষাগার থেকে সর্বমোট ৮ লক্ষ ৪৭ হাজার টাকা উত্তোলন করেছেন। এছাড়াও তিনি উৎসব ভাতা বাবদ ২০% হারে টাকা উত্তোলন করেছেন। কিন্তু শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের আজ পর্যন্ত কোন বৈধ নিয়োগ দেয়া হয়নি। চাকুরিতে যোগদানের পর থেকে অদ্যাবধি তিনি অবৈধভাবে উত্তোলন করে আসছেন।

শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের ব্যাপারে জানতে চাইলে জেলা সহকারি শিক্ষা অফিসার আলমগীর কবির জানান, আমিও পরস্পর লোকমুখে শুনেছি তার নিবন্ধনটি ভূয়া। শিক্ষক হেলাল উদ্দীনের একবারই নিয়োগ হয়েছে। আমাদের কাছে যদি কেউ সুস্পষ্ট লিখিত অভিযোগ করেন তাহলে আমরা তার ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..