× Banner
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন আসামের বন্যার্তদের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনের ত্রাণ সহায়তা বৃষ্টি ও বন্যার প্রভাবে বাজারে অস্থিরতা, কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা কেজি মতিঝিলে ৪৬৪ দেশীয় অস্ত্রসহ ৩ বিক্রেতা গ্রেফতার অর্থ সংকটে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন – বেতনহীন কর্মীরা, থমকে আহতদের চিকিৎসা সহায়তাও নৌপথের সুরক্ষায় বাংলাদেশসহ ১৩ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন জোট

বাংলাদেশের বিশাল জয়

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০১৫

ক্রীড়া ডেস্ক: জিম্বাবুয়ে টস জিতলেও ম্যাচটি হারলো। ১৪৫ রানের বড় জয় পেলো বাংলাদেশ।

শনিবার দুপুরে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অধিনায়ক চিগাম্বুরা। অন্যদিকে শুরুতেই লিটন এবং মাহমুদউল্লাহ’র উইকেট পরে যায়। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। বিপর্যয়ের সময় শক্ত হাতে হাল ধরেন তামিম-মুশফিক।

তামিম ৪০ রানে আউট হলেও মুসফিক তখনও মাঠে। সাব্বিরকে নিয়ে দলকে বড় লক্ষ্যের দিকে যখন এগিয়ে যাচ্ছিলো মুশফিক ঠিক তখনই ছন্দপতন। ব্যক্তিগত ৫৭ রান করে রানআউট হয়ে সাজঘরে ফিরেন সাব্বির। পরবর্তী ব্যাটসম্যান হিসেবে শুণ্য রানে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন নাসির হোসাইন। এরপর মুশফিক সেঞ্চুরী করলেও আর বেশিক্ষণ থাকতে পারলেন না, ব্যক্তিগত ১০৬ করে তিনি ফিরে গেলেন।

শেষ মুহূর্তে অধিনায়ক মাশরাফি এবং আরাফাত সানির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ভর করে ২৭৩ রান তুলতে সক্ষম হয় টিম বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ের লক্ষ্য ২৭৪ রান, শুরুও করেছিল তারা ভালমত। কিন্তু শেষ ভালো যার সব ভালো তার। শেষটা মোটেই ভালো করতে পারেনি সফরকারীরা। অবশ্য দিনটা সাকিবের পক্ষেই ছিলো। মুস্তাফিজ যখন উইকেট নিতে পারছিল না, ঠিক তখনই কাণ্ডারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন সাকিব।

একে একে তুলে নেন ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট। অপরদিকে মাশরাফি ২টি এবং নাসির-আল-আমিন ১টি করে উইকেট পান।

বিপরীতে জিম্বাবুয়ের হয়ে জঙ্গুই ৩৯ এবং চিগাম্বুরা ৪১ রান করেন। এছাড়া ক্রেমার করেন ১৫ রান। অন্য ব্যাটসম্যানরা ডাবল ফিগারে পৌঁছুনোর আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরেন। শেষ পর্যন্ত ৩৬.১ বলে ১২৮ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।

ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ নির্বাচিত হয় মুসফিক এবং সেরা খেলোয়ারের সম্মান টি পায় সাকিব। দুইজনই টিম-ওয়ার্ক এর প্রশংসা করেন।

প্রসঙ্গত, ঘরের মাঠে টানা ৪টি ওয়ানডে সিরিজ জয়ের রেকর্ড নিয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিলো বাংলাদেশ। অন্যদিকে জিম্বাবুয়ে শিবিরে ভিন্নচিত্র। ঘরের মাঠে আইসিসির সহযোগী দেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ হারের স্বাদ নিয়ে বাংলাদেশে এসেছে দলটি।

আগামী ৯ নভেম্বর একই ভেন্যুতে মুখোমুখি হবে দল দুটি। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত সিরিজে নিজেদের ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে রাখলো টাইগাররা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..