× Banner
সর্বশেষ
আজ শনিবার (২৫ জুলাই) সকালেই রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২৫ জুলাই (শনিবার) দিনের শুরুতে পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে জাতিসংঘে বাংলাদেশের শান্তি ও সহাবস্থানের সংস্কৃতি প্রস্তাব গৃহীত ৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত

সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক মেরামতে হরিলুঠ

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ৫ অক্টোবর, ২০১৭

চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ)::  সিলেট-সুনামগঞ্জ মহাসড়কের ৩টি স্থানে ৩০হাজার ইট দিয়ে ভাঙ্গন কবলিত সড়ক মেরামতের নামে ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি গোবিন্দগঞ্জ বটেরখালের ব্রিজ থেকে কলেজের সম্মূখের ভাঙ্গন, জাউয়া বাজার ও রাউলী নামক স্থানে ১নং ইট দিয়ে গর্ত ভরাটের নিয়ম থাকলেও বাস্তবে নি¤œমানের ইট দিয়ে চলছে রাস্তার কাজ। সড়ক ও জনপথ বিভাগের এসও ইকবাল আহমদ জানান, ৩টি ভাঙ্গন কবলিত স্থানে ৩০হাজার ইট লেগেছে বলে স্বীকার করেন।

এদিকে পরিবহন শ্রমিক সংগ্রাম কমিঠির সভাপতি মো. খালেদ মিয়া, শ্রমিক নেতা আলকাব আলী, রজব আলী, আব্দুল্লাহ, আব্দুল কাহার, চেরাগ আলী, সুনামগঞ্জ জেলা অটো-টেম্পু অটো-রিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি আফতাব উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ইজ্জাদুর রহমান, সুহেল আহমদ, জমসেদআলীসহ নেতৃবৃন্দ সড়ক মেরামতে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ করে বলেন, এসও ইকবাল ও গোলাম মাওলাকে প্রায় ১০হাজার নি¤œমানের ইট ব্যবহার করে ২০হাজার ইটের টাকা আত্মসাত করেন।

এব্যাপারে সওজ বিভাগের গোবিন্দগঞ্জ অফিসের এসও ইকবাল আহমদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ৩০হাজার ইট এসব ভাঙ্গন স্থানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানান। তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন। এ সড়ক সংস্কারের নামে কত টাকা বরাদ্ধ করা হয়েছে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান। এসব বিষয় জানেন জেলা সড়ক জনপথ বিভাগের প্রকৌশলী। এছাড়া প্রতিদিন ১৫জন শ্রমিক বেতন-ভাতা উত্তোলন করলেও বাস্তবে ২/৪জন শ্রমিক রাস্তা মেরামতে কাজ করছেন। শ্রমিক নিয়ে কাজ করাচ্ছেন অফিসের গোলাম মাওলা। রেজিষ্ট্রার খাতায় ১৫জন শ্রমিকের নাম থাকলেও বাস্তবে ৩/৪জন শ্রমিক ভাঙ্গন কবলিত সড়ক মেরামত করছে। এদেরকে সাড়ে ৪শ’ টকা মজুরি ধার্য্য করলেও তাদেরকে দেয়া হচ্ছে ৩শ’ টাকা। দুপুরের নাস্তার বিল ২০টাকা করে দেয়ার কথা থাকলেও তা- দেয়া হচ্ছেনা।

গত বছর সড়ক সংস্কারের নামে ২০কোটি টাকা ফেরত চলে গেছে বলে অফিস সূত্রে জানা গেছে। শ্রমিক কালা মিয়ার সঙ্গে আলাপ কালে তিনি জানান, এসও তাদের মজুরি দিচ্ছে সাড়ে চার শত টাকা করে। এরমধ্যে দেড়শ’ টাকা কর্তন করা হয়। প্রতিদিন পাঁচজন শ্রমিক কাজ করলেও মাষ্টার রোলে ২০জন শ্রমিকের নামে টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..