× Banner
সর্বশেষ
জামায়াত নেতার ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা বিধবা নারী; গর্ভের সন্তান নষ্টের অভিযোগ আন্দোলনে একদিনও দেখিনি, অথচ জুলাইয়ের হোতা হয়ে উঠেছিল – সেতুমন্ত্রী পাইকগাছায় বিশ্ব বাঘ দিবস পালিত আত্মহত্যা চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার প্রিন্স মামুন ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার ৫০৩, মামলা ৩০ শিল্পখাতে গ্যাস সংকট সমাধানের আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর কোটালীপাড়ায় আরডিএ’র ৩টি প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন জীববৈচিত্র্য রক্ষায় বাঘ সংরক্ষণের বিকল্প নেই -সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জামায়াতের সঙ্গে বৈঠকে বসেছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কথা বলে কিশোরীকে ধর্ষণচেষ্টা ইউপি সদস্যের

ইসরাইলের বিমান ঘাঁটিকে হামলা থেকে বাঁচাতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ইসরাইলে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি উদ্বোধন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইলি বিমান বাহিনীর একটি ঘাঁটির ভেতরে মার্কিন এই সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করা হয়েছে। এই ঘাঁটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিরুদ্ধে তেলআবিবকে বাড়তি নিরাপত্তা দেবে বলেও দাবি করা হয়েছে।

যৌথভাবে ঘাঁটির উদ্বোধন করেন ইসরাইলের বিমান বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জেভিকা হাইমোভিচ এবং মার্কিন সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জন গ্রোনস্কি। জেনারেল হাইমোভিচ সাংবাদিকদের বলেন, ইসরাইলের কোনো ঘাঁটিতে এই প্রথম মার্কিন পতাকা উড়ছে। এ ঘাঁটি উদ্বোধনকে তিনি ‘ঐতিহাসিক এবং উত্তেজনাপূর্ণ ঘটনা’ হিসেবে অভিহিত করেন।

দিমোনা এবং ইরুচাম শহরের পশ্চিমে ইসরাইলি মাশাবাবিম বিমান ঘাঁটির ভেতরে মার্কিন স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করার দাবি করা হয়েছে। বিমান প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তেলআবিব-ওয়াশিংটনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার বজায় থাকায় ইসরাইলি বিমান প্রতিরক্ষা স্কুলের ভেতর মার্কিন সেনাবাহিনীর প্রথম স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন করা হয় বলে স্বীকার করেন জেনারেল হাইমোভিচ। রকেট এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকির বিরুদ্ধে ইসরাইলে নিরাপত্তার আরেকটি স্তর মার্কিন ঘাঁটি যোগ করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ঘাঁটিতে কয়েক ডজন মার্কিন সেনাও মোতায়েন করা হবে এবং ইউরোপে মোতায়েন মার্কিন সামরিক বাহিনীর কমান্ড বা ইউকোম ‘ঘাঁটির ভেতরে ঘাঁটির’ সব তৎপরতার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকবে।

ক্যালিফোর্নিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাবে উ. কোরিয়া!

মার্কিন ভূখণ্ডে পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাতে হলে উত্তর কোরিয়া ক্যালিফোর্নিয়াকেই বেছে নেবে বলে দাবি করেছেন সাবেক মার্কিন বিশ্লেষক হ্যাল ক্যাম্পফার। পাশাপাশি সম্ভাব্য পরমাণু হামলার পর গোটা ক্যালিফোর্নিয়ায় কি ভয়াবহ পরিস্থিতি নেমে আসবে হবে তারও রোমহর্ষক বর্ণনা দেন তিনি। বর্তমানে মার্কিন ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএসে সন্ত্রাসবাদ ও গোয়েন্দা প্রশিক্ষণ বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হিসেবে রয়েছেন।

মার্কিন জনস্বাস্থ্য এবং জরুরি সেবায় জড়িত কর্মকর্তাদের সাথে এক বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি।

হ্যাল ক্যাম্পফার বলেন, উত্তর কোরিয়ার দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বিচার করলে ক্যালিফোর্নিয়ার লং বিচ পিয়ংইয়ংয়ের পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র হামলার লক্ষ্যবস্তু হবে।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রর অন্যতম ব্যস্ত ব্যবসা কেন্দ্র এবং বিশ্ব বাণিজ্যের একটি গুরত্বপূর্ণ অংশ হওয়ায় একে হামলার জন্য বেছে নেয়া হবে। অবশ্য গোটা ক্যালিফোর্নিয়া ধ্বংস করার মতো শক্তিশালী পরমাণু বোমা পিয়ংইয়ংয়ের নেই বলে মনে করেন তিনি। তারপরও হামলায় বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে আসবে সেখানে। লাখ লাখ মানুষ মারা যাবেন।

পরমাণু বোমা বিস্ফোরণ থেকে সৃষ্ট বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ বা ইএমপি কাছাকাছি সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা ধ্বংস করে দেবে। এতে অকেজো হয়ে যাবে মোটর গাড়ি ও ফোন লাইনের মৌলিক বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও। সাহায্যের জন্য ফোন করাও জটিল হয়ে দাঁড়াবে।

কোনোভাবে গাড়ি স্টার্ট দিতে পারলে নগরী ছেড়ে সহজে বের হওয়া যাবে না। কারণ পলায়নপর মানুষের যানজটের বিশাল সারিতে পড়তে হবে সেখানেও।

এ ছাড়া, খাদ্য ও নিত্যপণ্য নিয়ে দাঙ্গা ও বন্দুকযুদ্ধ শুরু হবে বলেও মনে করেন তিনি।

জরুরি অবস্থা মোকাবেলায় সমন্বয়ের ভিত্তিতে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার উপযোগী প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান তিনি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..