× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

রোহিঙ্গাদের হাতে বাংলাদেশি নিবন্ধিত সিম!

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৭

কক্সবাজার প্রতিনিধি: মিয়ানমারের আরকান রাজ্য থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা প্রায় প্রতিটি রোহিঙ্গা পরিবার মোবাইল ফোন ও বাংলাদেশি অপারেটরদের সিম ব্যবহার করছেন। সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করলেই তারা কিনতে পারছেন এদেশের অপারেটরদের সিম। মূলত যোগাযোগের তাগিদ থেকেই তারা এসব সিম কিনছেন বলে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, রোহিঙ্গাদের হাতে টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি সিম তুলে দিচ্ছেন স্থানীয়রা। রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আশপাশের এলাকায় কোনও ধরনের কাগজপত্র ছাড়াই এসব সিম বিক্রি করতে দেখা গেছে। আর নিবন্ধন না থাকায় এসব সিম ব্যবহার করে অপরাধ সংগঠিত হওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না অনেকেই।

মংডুর চারখম্ব এলাকা থেকে কামাল হোসেন (২৫) নামে এক যুবক গত একসপ্তাহ আগে বাংলাদেশে এসেছেন। তার স্ত্রীর নাম আয়েশা। পরিবারের ৯ জন কুতুপালং নিবন্ধিত ক্যাম্প সংলগ্ন আম গাছতলা এলাকায় আশ্রয় নিয়েছেন। তাকে মোবাইলে কথা বলতে দেখা গেল।

এসময় তার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর মোবাইল ও সিম কেনার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারেই আমার মোবাইল ছিল। বাংলাদেশে আসার পর একজনের কাছ থেকে ১৫০ টাকায় একটি সিম (রবি) কিনেছি।’ কার কাছ থেকে সিম কিনছেন? জানতে চাইলে কামাল হোসেন বিক্রেতার নাম বা মোবাইল নম্বর দিতে পারেননি। তবে তিনি জানান, মূলত দালালরা গোপনে সিম ও মোবাইল প্যাকেজ আকারে বিক্রি করছেন। রোহিঙ্গারাও এর সুযোগ নিচ্ছেন।

মো. রহিম (২১) দশ দিন আগে বাংলাদেশে এসে ১৫০ টাকায় একটি সিম (বাংলালিংক) কিনে ব্যবহার করছেন। তিনি বলেন, ‘পরিবারের সবাই হারিয়ে যায়, তাই মোবাইল দরকার। তাছাড়া আত্মীয়স্বজনের সঙ্গেও যোগাযোগ করতে মোবাইল দরকার।’

মো. রফিক নামে এক রোহিঙ্গা যুবক বলেন, ‘বর্ডার থেকে ২০০ টাকায় সিম (বাংলালিংক) কিনেছি। বর্ডারে সিম কিনতে পাওয়া যায়। কোনও কাগজপত্র লাগে না। সিম খুব ভালোই চলছে।’ তিনি জানান, বেশির ভাগই (বাংলালিংক) সিম পাওয়া যাচ্ছে। তবে অন্য সিম পাওয়া যায়না তা নয়।

নূর কামাল হোসেন (৩০) নামে এক রোহিঙ্গা যুবক বলেন, একটি মোবাইল ও সিম (বাংলালিংক) পাঁচ হাজার দুইশ টাকায় কিনেছি। যার মধ্যে কুতুপালংয়ের বাজারের একটি দোকান থেকে সিমটি ২০০ টাকায় কিনেছি।

সিম কিনতে কাগজপত্র বা ছবি দিতে হয়েছে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, কোনও কাগজপত্র লাগেনি।’

এ বিষয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশীদ বলেন, এভাবে সিম বিক্রিতে ঝুঁকি আছে। কারণ যেসব নাগরিক সুবিধা আমার ভোগ করি, তারাও সেটা চাইবে। বৈধভাবে না পেলে তারা অবৈধভাবে পেতে চাইবে। তাই একটা বৈধ প্রক্রিয়া শুরু করা উচিৎ। অনেক দেশ নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সিম দিয়ে থাকে। এরপর সেট ব্লক হয়ে যায়। আমরা সেটাও করতে পারি। তবে তাদের নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত করা যাবে না। তাহলে দালাল ও অবৈধ পথ উৎসাহিত হবে।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল খায়ের বলেন, এগুলো নজরদারির জন্য মোবাইল অপারেটরদের নিজস্ব প্রক্রিয়া রয়েছে। তারপরও আমরা কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..