× Banner
সর্বশেষ
বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িতদের অনুসন্ধানে কমিশন

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৫

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যার ষড়যন্ত্রে অবশ্যই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা ছিল। উইকিলিকসের কল্যাণে অনেক তথ্য এখন জানার সুযোগ হয়েছে। এগুলো নিয়ে গবেষণার জন্য আগামীতে একটি কমিশন গঠন হতে পারে বললেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

রোববার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে টিসিবি মিলনায়তনে সংলাপের ১২৫তম পর্ব হয়।এতে আইনমন্ত্রী ছাড়াও অন্যদের মধ্যে ছিলেন বিএনপির ভাইস  চেয়অরম্যান আবদুল্লাহ আল  নোমান, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রওনক জাহান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.  সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। ওয়ালিউর রহমান মিরাজের প্রযোজনায় বিবিসি বাংলাদেশ সংলাপ উপস্থাপনা করেন আকবর হোসেন।

আনিসুল হক বলেছেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় রাজনৈতিক সম্পৃক্তা অবশ্যই ছিল। এখানে একটি রাজনীতি কাজ করেছে। রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা উদঘাটনে একটি  সেল গঠনের চিন্তা করতে হবে। উইকিলিকসের কল্যাণে এ সম্পর্কিত অনেক তথ্য আমাদের জানার সুযোগ হয়েছে।  সেগুলো নিয়ে গবেষণা করার প্রয়োজন আছে।এসব বিষয় অনুসন্ধানে কমিশন গঠন করে ফরমাল রূপ দেয়ার চেষ্টা করা হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, একাত্তর সালে পরাজিত শত্র“দের সঙ্গে খন্দকার মুশতাকসহ আওয়ামী লীগের কিছু  লোক ছিলেন। তাদের ঘাড়ে সওয়ার হয়ে বিপদগামী একটি দল এ জঘন্য কাজটি করেছে এবং এটির ফল ভোগের ভাগিদার হয়েছেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানও। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার  পেছনে আওয়ামী লীগের একটি অংশ জড়িত ছিল। তাদের সঙ্গে বিপদগামী কিছু  সেনা সদস্যও ছিল। এটাই ইতিহাস, এটাই সত্য ঘটনা।

নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকার গঠনে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ সম্প্রতি যে ফর্মুলা দিয়েছেন,  সে প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি বলেছেন,  দেশে সংবিধান আছে। কেউ যদি বলে এটার বিপরীতে কিছু করতে হবে, তাহলে সেটা শুধু গ্রহণযোগ্য যে নয় তাই নয়, তা অসাংবিধানিকও। তিনি বলেন, “আমার মনে হয়না হাইকোর্ট এ রকম প্রস্তাব দিতে পারে।এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, পৃথিবীর  যে যে  দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র ব্যবস্থা চালু রয়েছে  সেখানে প্রধানমন্ত্রীরই ক্ষমতা থাকে। এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই।তিনি বলেন, আমাদের সংবিধানে সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য যা যা করনীয় তার সবই বলা আছে। তারপরও নির্বাচন কমিশনের যদি কোনো ত্রুটি বিচ্যুতি থাকে সেটি শুদ্ধ করে নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা যেতে পারে।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা খর্ব করে রাষ্ট্রপতিকে ক্ষমতা দিয়ে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং সমস্যা আরো ঘনিভূত হবে।উদারহণ দিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, এর আগে তিনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছিল, যার প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি। তাদের  কেউই সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেনি। একমাত্র জনগণই সুষ্ঠ নির্বাচনের সহায়ক। নির্বাচন কমিশনই সুষ্ঠ নির্বাচন করতে পারবে। বর্তমানে দেশে ক্ষমতার ভারসাম্য আছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিএনপি নেতা আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, সংবিধান সংশোধনে নাগরিক সমাজের দেয়া প্রস্তাব সারা দেশের মানুষের প্রস্তাব, সারা জাতির প্রস্তাব। দেশের মানুষ মনে করছে সংবিধান সংশোধন করে প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতার যে প্রয়োগ, তার থেকে কমিয়ে ভারসাম্য করা উচিত। রাষ্ট্রপতিকেও কিছু ক্ষমতা দেয়া উচিত। প্রধানমন্ত্রীর একক ক্ষমতার প্রয়োগের ফলে সুষ্ঠ নির্বাচন সম্ভব নয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ প্রসঙ্গে নোমান বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সমস্যা রাজনৈতিক দল থেকেই নিতে হবে। ৫০ জনের সমন্বয়ে সমস্যা সমাধান হবে বলে আমি মনে করি না।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..