× Banner
সর্বশেষ
পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন ১৭ বছরে মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি – এসএম জিলানী  ঝিকরগাছায় শিশুদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণিত, তবুও বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক বহাল তবিয়তে মহেশপুরে খাল থেকে বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার যশোর- নড়াইল মহাসড়কে বিজিবি অভিযানে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণবারসহ আটক-১ সাতক্ষীরায় আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চট্টগ্রাম হালিশহরে মসজিদ পরিচালনা নিয়ে তুলকালাম

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ৭ মে, ২০১৭

রাজিব শর্মা, চট্টগ্রাম।।  চট্টগ্রাম মহানগরীর রামপুর এলাকায় মসজিদের কর্তৃত্ব নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটে গেছে। আসন্ন রমজান মাস উপলক্ষ্যে হাফেজ নিয়োগের দিন ধার্য্য ছিল গত শুক্রবার। এতে বর্তমান মোতোয়াল্লী দাবীদার মোজাম্মেল হক এবং ছলিমুল্লাহ চৌধুরীর ওয়ারিশদের মধ্যে বাধানুবাধের ঘটনা ঘটে। পরে হাফেজ নিয়োগ পন্ড হয়ে যায়।

সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব ফয়েজ আহমদ বলেন, আমার দাদা মরহুম ছলিমুল্লাহ চৌধুরী রামপুর বড় পুকুর জামে মসজিদটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৯৪৭সালে। বংশানুক্রমে মসজিদটি পরিচালিত হয়ে আসছিল। আমাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোজাম্মেল হক নামে এক ব্যক্তি মসজিদের মোতোয়াল্লী বনে যান। তখন আমাদের মতো এলাকার সাধারন মুসল্লিরা আপত্তি জানান। তারা গায়ের জোরে মসজিদ পরিচালনা করার চেষ্টা করলে আমরা হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করি।

আদালতে মামলা চলমান থাকা অবস্থায় গত শুক্রবার মোতোয়াল্লী দাবীদার মোজাম্মেল হকসহ তার সহযোগিরা এক তরফা ভাবে হাফেজ নিয়োগের চেষ্টা করলে এতে আপত্তি জানান মুসল্লিরা । এঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলা মারধর হয় বলে গুজব রটিয়ে ভিন্নখাতে নেয়ার ব্যর্থ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

স্থানীয় সূত্র আরো জানান, বিগত ৪৭/৪৮সালের দিকে মধ্যম রামপুর বড় পুকুর পাড়ে একটি মসজিদ প্রতিষ্ঠা করেন স্থানীয় বাসিন্দা মরহুম ছলিমুল্লাহ চৌধুরী। তিনি ছিলেন সাবেক কমিশনার ফয়েজ আহমদ এর দাদা। কাগজে পত্রেও সেটি আছে। আসল মালিকদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে মোতোয়াল্লী বনে যান এয়াকুব আলী পরে মোজাম্মেল হক নামে এক ব্যক্তি। এনিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্ধ দেখা দেয়। সাবেক কমিশনার আলহাজ্ব ফয়েজ আহমদ বলেন, আমরা বছর বছর উক্ত ভূমির(মসজিদ) ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করি আসছি। গত ফেব্রুয়ারী মাসের ৯তারিখে ৬হাজার ৮৬৭টাকা খাজনা পরিশোধ করেছি।

তারা ভূয়া মালিক সেজে কর্তৃত্বের চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানান তিনি। আগে থেকে মসজিদ পরিচালনা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দ্বন্ধ থাকায় নামাজের আগে মসজিদ এলাকায় হালিশহর থানার এসআই শওকত এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ মোতায়েন ছিল।

ফলে বড় ধরনের কোন ঘটনা ঘটতে পারেনি বলে জানা গেছে। বর্তমানে এলাকায় কিছুটা চাপা উত্তেজনা বিরাজ করছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..