× Banner
সর্বশেষ
সুপ্রিম কোর্টে ২৬৫ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ: সংখ্যালঘু না থাকায় প্রতিক্রিয়া ডেপুটি স্পিকারের নামে জাল ডিও পত্র তৈরি, এসি ল্যান্ডের বিরুদ্ধে মামলা কক্সবাজারে হবে আঞ্চলিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার, কমবে মাদক মামলার জট – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্যাসিস্টের ভাষায় বলা হচ্ছে সরকারকে ৫ বছরও যেতে দেয়া হবে না – মির্জা ফখরুল গণমাধ্যমের ওপর কোনো গোয়েন্দা চাপ নেই; দাবি তথ্যমন্ত্রীর বিএনপির নারী এমপিকে আইনি নোটিশ পাঠালেন আসিফ মাহমুদ আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়া গ্রেফতার বিনামূল্যে চ্যাটজিপিটি ব্যবহারকারীদের জন্য বড় সুখবর গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রয়োজন নিয়মতান্ত্রিক কাঠামো: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই -মির্জা ফখরুল

মেহেরপুরের গাংনীতে আলোচিত তিন খুনের ঘটনায় ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

admin
হালনাগাদ: সোমবার, ১৯ অক্টোবর, ২০১৫

মেহের আমজাদ, মেহেরপুরঃ দীর্ঘ ২১ বছর পর মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জালসুকা গ্রামের বহুল আলোচিত তিন খুনের ঘটনায় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের শীর্ষ সন্ত্রাসী লাল্টু বাহিনীর প্রধান নুরুজ্জামান লান্টু সহ ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ দিয়েছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত।

সোমবার দুপুরে বিচারক এ.টি.এম মুসা জনাকীর্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন। এ মামলার আসামীদের মধ্যে ২৩ জনকে বেকশুর খালাশ দেয়া হয় এবং বাকি তিন জন মারা গেছেন। দন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের নূরুজ্জামান নান্টু (৬৮), মেহেরপুর গাংনী উপজেলার জালসুকা গ্রামের একরামুল মাস্টার (৬৫), ইউনুস আলী (৭০), মাসুদ আলী (৫০) ও আবুল কাশেম (৬৫)।

১৯৯৪ সালের ২৯ আগষ্ট রাতে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জালসুকা গ্রামের মৃত মাহমুদ আলীর ছেলে শওকত মালিথা (৭০), তার ছেলে হেলাল উদ্দিন (৩৪) ও একই গ্রামের তারা চাঁদের ছেলে নূর ইসলাম খুন হয়। এ ঘটনায় শওকত মালিথার ছেলে জালাল উদ্দিন বাদী হয়ে গাংনী থানায় মামলা করেন। যার মামলা নং- ৩০/০৮/১৯৯৪। ১৯৯৬ সালের ৩০ এপ্রিল পুলিশ চার্জশিট দেওয়ার পর এই মামলার রায় পেতে আরো ১৯ বছর সময় লাগল। মামলায় রাষ্ট্র পক্ষের কৌসূলী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি এ্যাড. কাজী শহিদুল হক এবং আসামী পক্ষের কৌসূলী ছিলেন এ্যাড. খন্দকার আব্দুল মতিন, এ্যাড. ইব্রাহিম শাহীন ও এ্যাড. শফিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য, একই রাতে সন্ত্রাসীরা পাশ্ববর্তী গ্রাম আড়পাড়ায় আরও চারজনকে হত্যা করে। তাই ঐ রাতের হত্যাকান্ডটি এলাকায় সেভেন মার্ডার হিসেবে পরিচিত। আড়পাড়া গ্রামের হত্যায় পৃথক একটি মামলা হয়। এ রায়ের অনেক আগেই এ মামলাটির নিষ্পত্তি হয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..