× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

হোয়াইট হাউজ: ইমেইল হ্যাকিং এর বিষয়টি জানতেন পুতিন

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৬

অনলাইন

 ১৬ ডিসেম্বর ২০১৬, শুক্রবার,

যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ঠিক আগে ডেমোক্রেটিক দলের কর্মকর্তাদের ইমেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হবার বিষয়টি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানতেন বলে দাবী করেছে, হোয়াইট হাউজ।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার একজন ঘনিষ্ঠ উপদেষ্টা বেন রোডস বলেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিন যেভাবে নিজের দেশ ও প্রশাসন পরিচালনা করেন, তাতে তার অজ্ঞাতসারে রুশ হ্যাকাররা এত বড় হ্যাকিং এর ঘটনা ঘটাতে পারে না।

মার্কিন কর্মকর্তারা আরো বলছেন, গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ’র প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রুশ হ্যাকাররা ঐ সাইবার অ্যাটাকটি করেছিল প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে।

আর তার নির্দেশনা এসেছিল সর্বোচ্চ কোন পর্যায় থেকে।

কর্মকর্তারা আরো বলছেন, রুশ সরকারের যেকোনো কর্মকাণ্ডের জন্য তো সরকার প্রধান হিসেবে শেষ পর্যন্ত প্রেসিডেন্টই দায়ী হবেন। তবে, রাশিয়া শুরু থেকেই ঐ সাইবার হামলার বিষয়ে দেশটির কোন রকম সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নাকচ করে আসছে।

নতুন করে হোয়াইট হাউজ এই বিতর্কে যোগ দেবার পরে বৃহস্পতিবারও ক্রেমলিন থেকে বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে নাকচ করে দেয়া হয়েছে।

এমন সম্ভাবনার কথা অবশ্য নাকচ করেছেন ডনাল্ড ট্রাম্পও।

তিনি বলেছেন মিসেস ক্লিনটন নির্বাচনে জিতলে এ নিয়ে কোন তদন্তই চালাত না সরকার।

জুলাইতে উইকিলিকস ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে এ বছরের মার্চ পর্যন্ত ডেমোক্রেটিক দলের সাতজন শীর্ষ নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ে চালাচালি হওয়া প্রায় কুড়ি হাজার ইমেইল ও আট হাজার নথি ফাঁস করে দেয়।

ইমেইল গুলোয় বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের প্রাইমারি ও ককাসের আগে বার্নি স্যান্ডার্সের প্রচারণাকে ‘ক্ষতিগ্রস্ত করার’ অভিযোগ আসে।

এর জের ধরে সেসময় পদত্যাগ করেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক দলের প্রধান ডেবি ওয়াজেরমেন শুলজ।

সুত্রঃ বিবিসি বাংলা

 


এ ক্যটাগরির আরো খবর..