× Banner
সর্বশেষ
৯ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি আজ ১১ শ্রাবণ মঙ্গলবারের রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ (১১ শ্রাবণ)  ২৮ জুলাই মঙ্গলবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে সরকার শুধু স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নয়, সার্বিক উন্নয়নে বদ্ধপরিকর – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী রপ্তানি বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক মেলায় অংশগ্রহণে বুথ ভাড়া মওকুফ করা হবে – বাণিজ্যমন্ত্রী বাংলাদেশকে আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার – বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী শ্যামনগরে দুই ক্লিনিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা আগস্টে শুরু হচ্ছে ৪ দিনব্যাপী ‘আবাসন মেলা’

ডেস্ক

উত্তর ইরাকের খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি
খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার দাবি

উত্তর ইরাকের কুর্দি নিয়ন্ত্রিত খোর মোর (Khor Mor) গ্যাসক্ষেত্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি করেছে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম। একই সময়ে কুর্দি অঞ্চলের রাজধানী এরবিলে একাধিক বিস্ফোরণের খবরও পাওয়া গেছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার (২৭ জুলাই) দিবাগত রাতে সুলাইমানিয়া প্রদেশে অবস্থিত খোর মোর গ্যাসক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এই গ্যাসক্ষেত্রটি কুর্দি অঞ্চলের অধিকাংশ বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ করে, ফলে এর ওপর হামলার প্রভাব জ্বালানি নিরাপত্তার ওপরও পড়তে পারে।

একই সময় খোর মোর থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরের এরবিল শহরে কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্কিন কনস্যুলেটের আশপাশের এলাকাসহ শহরের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।

পুলিশ সূত্রের বরাতে প্রকাশিত তথ্যে দাবি করা হয়েছে, এরবিলের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের খালিফান ও সোরান এলাকায় অন্তত চারটি ড্রোন হামলা হয়েছে। হামলার পর বিভিন্ন স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি দুটি ড্রোন বিধ্বস্ত হয় বলেও জানানো হয়েছে।

নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, ঘটনার পর এরবিলের আকাশে যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক যুদ্ধবিমান ও নজরদারি ড্রোন টহল দিতে দেখা গেছে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা কিছুটা কমলেও কূটনৈতিক অচলাবস্থা এখনো কাটেনি। ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে আলোচনার সম্ভাবনার কথা বলা হলেও দ্রুত সমঝোতা না হলে কঠোর অবস্থানে ফেরার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে তেহরানের দাবি, তারা আলোচনার জন্য কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ইরানের ভাষ্য অনুযায়ী, জাতীয় নিরাপত্তা, পারমাণবিক কর্মসূচি, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে।

বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি এখনও দুই দেশের বিরোধের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। বিভিন্ন দেশের মধ্যস্থতায় আলোচনা চললেও এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, সামরিক হামলার মাত্রা আপাতত কমে এলেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি। নতুন কোনো হামলা বা কূটনৈতিক আলোচনা ব্যর্থ হলে অঞ্চলটি আবারও বড় ধরনের সংঘাতের মুখে পড়তে পারে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..