× Banner
সর্বশেষ
৯০ দিনের মধ্যেই নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে -শিক্ষামন্ত্রী প্রতিশ্রুতির প্রত্যেকটি কাজ শুরু করে দিয়েছে সরকার -এমপি খোকন তাালুকদার সবার আগে বাংলাদেশ সেটা মাথায় রেখে সকলের কাজ করতে হবে -এমপি খোকন তালুকদার পাইকগাছায় জগন্নাথদেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব সম্পন্ন  লক্ষ্মীপুরে উন্নয়ন কাজে অনিয়ম বরদাশত করা হবে না: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বনবিভাগের অভিযানে উদ্ধারকৃত ৭৭ বস্তা ঝিনুক মালঞ্চ নদীতে অবমুক্ত সবুজ বেনাপোল গড়ার প্রত্যয়ে বিএনপি নেতা ভারতের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ সরকার -স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম

ডাসার(মাদারীপুর) প্রতিনিধি

ডাসারে যৌতুকের নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় শাশুড়ী শ্রীঘরে 

admin
হালনাগাদ: শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২৬

মাদারীপুরের ডাসার উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে শ্বশুরবাড়ির লোকজনের নির্যাতনে গৃহবধূ সুমি আক্তার মিমের বিষপানে আত্নহত্যার ঘটনায় বৃদ্ধা শাশুড়ী সালেহা বেগমকে(৭০) পলাতক অবস্থায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শাশুড়ী শ্রীঘরে

আজ শুক্রবার(২৪ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেন, ডাসার থানার ওসি মো.সোলায়মান মাহমুদ,জানান,গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সালেহা বেগমকে আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে নিহত সুমি আক্তার মিম বরিশাল জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার ভালুকশী গ্রামের আলিম হাওলাদারের মেয়ে এবং ডাসার উপজেলার আজালিয়া গ্রামের ফরহাদ আকনের স্ত্রী।

উল্লেখ্য,বিয়ের পর থেকেই পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গৃহবধূ মিমের সঙ্গে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরোধ চলছিল। মীমের স্বামী ফরহাদ আকনের বিদেশযাত্রার ঋণ পরিশোধের জন্য ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করা হয় মীমের পরিবারের কাছে। সেই দাবিকৃত টাকা দিতে না পারায় দীর্ঘদিন ধরে তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছে শ্বশুরবাড়ি লোকজন। গত মঙ্গলবার দুপুরে যৌতুকের টাকা নিয়ে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে মিমের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি ঘরে থাকা ক্ষতিকর ক্যামিকেল পান করেন। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে প্রথমে কালকিনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক রাতে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় নিহতের পিতা আলিম হাওলাদার বাদী হয়ে গত ২২ জুলাই তার মেয়ে জামাই ফাহাদ আকনসহ ৭ জনকে আসামি করে ডাসার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সালেহা বেগমকে গ্রেফতার করা হয়।

নিহতের বাবা আলিম হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, সালেহা বেগম গ্রফতার হলেও বাকি আসামী পলাতক রয়েছে। তাদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানাই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..