বিশ্ব পর্যটন দিবস-২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে একটি প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় দিবসটি দেশজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশে পালনের লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হয়। গুরুত্ব পাচ্ছে ডিজিটাল রূপান্তর ও এআই।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। এ সময় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এবারের বিশ্ব পর্যটন দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে—‘ডিজিটাল রূপান্তর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় আগামীর পর্যটন’।
সভায় মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব পর্যটন দিবস উপলক্ষে সারা দেশে সমন্বিত কর্মসূচির মাধ্যমে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে। দেশের পর্যটন সম্ভাবনা আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরতে দেশীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও কৃষ্টিনির্ভর প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। পাশাপাশি জেলা পর্যায়েও একই সময়ে দিবসটি পালনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের পর্যটন শিল্পের প্রসারে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অংশীজনদের সক্রিয় সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণে বিশ্ব পর্যটন দিবসের বিভিন্ন আয়োজনে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, দিবসটি উপলক্ষে দেশের গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রস্তুত করা প্রচারচিত্র (টিভিসি) প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া বিদেশি কূটনীতিক ও অতিথিদের অংশগ্রহণে লাইভ কুকিং শো এবং রান্না প্রতিযোগিতার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রন্ধনশিল্প আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা যায়।
সরকারের প্রত্যাশা, এসব কর্মসূচির মাধ্যমে বাংলাদেশের পর্যটন সম্ভাবনা, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার ঐতিহ্য বৈশ্বিক পর্যায়ে আরও বেশি পরিচিতি লাভ করবে।