× Banner
সর্বশেষ
শিবচরে এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনে প্রকাশ্যে চাঁদাবাজী, ছাত্রদল নেতার প্রতিবাদ সরাসরি জাহাজ চলাচল চালুর বিষয়ে মালদ্বীপের সঙ্গে আলোচনা স্বামীকে বাঁচাতে পানিতে নববধূর ঝাঁপ, দুজনেরই মৃত্যু দক্ষ জনশক্তি ও নিরাপদ কর্মপরিবেশই দেশের সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি – শ্রম মন্ত্রী নড়াইলের লোহাগড়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গাছ কর্তন পাইকগাছায় বোয়ালিয়া ব্রিজ সড়ক চরম নাজেহাল ; খানাখন্দে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেইফটি দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদান মাদারীপুরে ডাল গবেষণা কেন্দ্রে প্রকল্পের কাজ না করে পুরো বিল আত্মসাৎ, ঘটনাস্থলে এমপি বেনাপোল পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হতে চান ইমদাদুল হক ইমদাদ  শ্যামনগরে আন্তর্জাতিক ম্যানগ্রোভ দিবস উৎযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক

৬ ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

ACP
হালনাগাদ: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬
৬ ব্যাংকের চাকরিচ্যুতদের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি পুনর্বহালের দাবিতে মানববন্ধন

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে ইসলামী ধারার ছয়টি ব্যাংকের কয়েক হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা ১১টায় রাজধানীর দিলকুশায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির সামনে এ মানববন্ধনে ওই ছয়টি ব্যাংক থেকে চাকরিচ্যুত হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাংকগুলো হলো— ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, ইউনিয়ন ব্যাংক পিএলসি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক পিএলসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

‘ব্যাংকিং খাতে বৈষম্য ও গণহারে চাকরিচ্যুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান’ শীর্ষক এই মানববন্ধনে ওই ছয় ব্যাংকের চাকরিচ্যুত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের স্বপদে পুনর্বহালের দাবি জানান। একইসঙ্গে তারা দলীয় কর্মীদের অবৈধ নিয়োগ, অবৈধ চেয়ারম্যান জোবায়দুর রহমান, এমডি, এডিশনাল এমডি, ডিএমডিসহ জুলুমবাজ ম্যানেজমেন্ট ও পর্ষদের পদত্যাগ দাবি জানান।

মানববন্ধন থেকে বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। এর মধ্যে অন্যতম স্লেগান ছিল- “উই ওয়ান্ট জাস্টিস”, “প্রশাসনের বিরুদ্ধে দফা এক-দাবি এক, অবৈধ ম্যানেজমেন্টের পদত্যাগ”, “আমার সোনার বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই”, “তুমি কে, আমি কে, মজলুম, মজলুম”।

আন্দোলনকারীরা বলেন, আমরা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবির না করার অপরাধে আমাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। আমরা জামায়াত-শিবির সমর্থক হলে আজ আমাদের এই দুরবস্থায় পড়তে হতো না। শুধুমাত্র দলীয় ব্যানার না থাকায় যদি আমাদের চাকরিচ্যুত হতে হয়, সেটি রাষ্ট্রের নাগরিক হিসেবে আমাদের জন্য লজ্জাজনক।

আন্দোলনকারীরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর একটি প্রভাবশালী কুচক্রী গোষ্ঠীর প্রভাবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোতে ব্যাপক হারে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক বদলি, আইডি ইনঅ্যাকটিভ করা, প্রশাসনিক হয়রানি এবং তথাকথিত ‘দক্ষতা মূল্যায়ন’ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে ছাঁটাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে প্রায় ১০ হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী চাকরি হারিয়েছেন, যা হাজারো পরিবারকে অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলেছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..