× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

ডেস্ক

ইলেকশন ও বিএনপির ভূমিকা নিয়ে বিভ্রান্তিতে সুইং ভোটার

Kishori
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
বিভ্রান্তিতে সুইং ভোটার

ইলেকশন করে ‘জিততে পারলে’ দল ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যেই দেশ অস্থিতিশীল হয়ে যাবে – এই ভয় শুধু রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের নয়, অনেক সাধারণ ভোটারের মধ্যেও আছে। কারণ লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজি নিয়ন্ত্রণে রাখার রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সক্ষমতা জনাব তারেক রহমানের নেই – এই উপলব্ধি এখন বেশ পরিষ্কার।

এদিকে ভারতীয় প্রেসক্রিপশনে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক প্রাসঙ্গিকতা আবারও তুলে ধরার চেষ্টা দৃশ্যমান। ঠিক বিপরীতে বিএনপি এখন মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিশাল ঝাণ্ডা তুলেছে; অথচ কিছুদিন আগেও যাদের ‘রাজাকার’ বলছে, তাদের অনেকের সাথেই দলটির গভীর সখ্য ছিল।

সুইং ভোটারদের চোখে এই বৈপরীত্য এক ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি করছে। তারা বুঝতে পারছে না বিএনপির অবস্থান আসলে কোথায় – মুখ কোনদিকে, পশ্চাৎদেশ কোনদিকে। এই কনফিউশন বিএনপিকে ভোটের মাঠে ক্রমশ কোণঠাসা করে দিচ্ছে।

বাইরে বসে অনেক শক্ত কথা বলা যায়, কিন্তু রাজনৈতিক বাস্তবতা ভিন্ন। যেমন পরিবারে ডাইনিং টেবিল ব্যক্তিগত জায়গা, তেমনি রাজনীতিরও নিজস্ব অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা আছে। সেই বাস্তবতা হলো – এই দলের নেতৃত্ব হিসেবে ‘বাংলাদেশে না আসা’ সিদ্ধান্তটি রাজনৈতিকভাবে কারেক্ট। আপনি যে গাড়িটা চালাবেন, তার স্টিয়ারিং যদি শক্ত করে ধরতে না পারেন, তাহলে কেন ধরতে যাবেন?

তারেক রহমানকে ঘিরে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের অনুভূতি অনেক গভীর। ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা থেকে গোপালগঞ্জ হামলা…সবকিছুর জন্য তারা তাকে সরাসরি দায়ী মনে করে। আদালত কী বলেছে বা বলেনি তা গৌণ; আওয়ামী লীগের বিশ্বাস ধর্মবিশ্বাসের মতো অটল যে তারেক রহমানই ক্রিমিনাল।

এখানেই বিপদের মূল। শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের চোখে যিনি ‘শত্রু নম্বর এক’, তার বগলতলে ঘোরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। শেখ পরিবার ইতিহাসজুড়ে ‘শোধ’ নেওয়ার প্রবণতায় পরিচিত। সুযোগ পেলে আঘাত করা তাদের রাজনৈতিক ডিএনএ’র অংশ।

শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে এনেছিলেন জিয়াউর রহমান। তার এক মাস পরেই তিনি ব্রাশফায়ারে নিহত হলেন। বিষয়টি কাকতালীয় ছিল নাকি ‘শোধ’, আজও প্রশ্ন রয়ে গেছে। তাই তারেক রহমান যে হিট লিস্টে আছেন…এটা রাজনৈতিক রোমান্স নয়, বাস্তবতা।

২১ আগস্টের পর, গোপালগঞ্জ বিস্ফোরণের পর বাংলাদেশ আর তার জন্য নিরাপদ নয়। ভবিষ্যতেও নিরাপদ হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

এই বাস্তবতায় তার স্ত্রী ও কন্যাকে সামনে আনা একটি বুদ্ধিমান রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। আর দেশে না আসার সিদ্ধান্ত..এটা আবেগের নয়, বাস্তবতার কাছে নতি স্বীকার। হয়তো এটিই সবচেয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..