× Banner
সর্বশেষ
পশ্চিমবঙ্গে শব্দদূষণ রোধে লাউডস্পিকার অপসারণ, আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়নের দাবি সরকারের আজ ৭ আগস্ট বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় আজ ২১ শ্রাবণ শুক্রবারের দিনপঞ্জি ও ইতিহাসের এইদিনে শ্যামনগরে প্রতিবন্ধী,দুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে দুই লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খানের ৪২তম শাহাদৎবার্ষিকী অনুষ্ঠিত তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনাসদস্য হাফিজুরের জামিন বাতিল, আত্মসমর্পণের নির্দেশ লিবিয়ায় মাফিয়ার নির্যাতনে মাদারীপুরের যুবকের মৃত্যু পাইকগাছায় ছাত্র ও দরিদ্র মানুষের মাঝে সাইকেল, সেলাই মেশিন ও ভ্যান বিতরণ মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহর কমান্ডারের বাংলাদেশ সফর শেষ

সঙ্গীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের প্রতিবাদে উদীচীর সংবাদ সম্মেলন

SDutta
হালনাগাদ: শনিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৫

সুমন দত্ত: প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

শনিবার (৮ নভেম্বর ২০২৫) মাওলানা আকরাম খা হলে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মাহমুদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে। এছাড়া আরো বক্তব্য রাখেন মাঞ্জার হোসেন, কামরুজ্জামান ভূঁইয়া, সুজিত মোস্তফা, মহাদেব ঘোষ, তুষার চন্দ্র ও ড. মকবুল হোসেন প্রমূখ।

মাহমুদ সেলিম বলেন, আমরা জানি দেশের কোনো গোষ্ঠী ধর্মের নামে মিথ্যাচার ও ভণ্ডামি করছে। তারা ধর্মকে সংস্কৃতির মুখোমুখি দাড় করিয়ে দিতে চায়। আমরা তা হতে দেব না।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন অমিত রঞ্জন দে। তিনি বলেন, প্রাথমিকে সঙ্গীত ও শরীরচর্চা শিক্ষক নিয়োগ বাতিল করা সরকারের একটি আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত। দেশকে বিপথে নিয়ে যাওয়া হবে এর মাধ্যমে। তিনি বলেন, এই বাতিলের সিদ্ধান্ত সুদূরপ্রসারী চক্রান্তমূলক রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের অংশ। আমরা যতদূর জানতে পেরেছি আগামীতে এই একই গোষ্ঠী চারুকলা, নৃত্যকলা, সংগীত কলা পর্যায়ক্রমে পাঠ্যক্রম হতে বাদ দিবেন। উদীচী মনে করে এসব সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী এবং সাম্প্রদায়িক, রাজনৈতিক সঙ্কীর্ণতা প্রসূত। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।

বক্তারা আরো বলেন, একটি মৌলবাদী গোষ্ঠী তাদের নিজেদের পছন্দ অপছন্দ সবার ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চাইছে। এটা বাংলাদেশে সম্ভব না। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এদেশ স্বাধীন হয়েছে। এভাবে সংস্কৃতি বিকাশের পথ বন্ধ করে দেওয়া যায় না। আমরা রবীন্দ্র সংগীত গাইবো না, নজরুল লালন গাইবো না এটা কি হয়? আজ আমাদের বিভিন্ন ঋতু ভিত্তিক অনুষ্ঠান করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এসব আমরা মেনে নিতে পারি না।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে উদীচী সভাপতি বলেন, স্কুলে ধর্ম শিক্ষা ও আরবি শিক্ষা থাকা সত্ত্বে এক শ্রেণির গোষ্ঠী বলছে ধর্মের শিক্ষক নেই। অথচ স্কুলে নেই গানের শিক্ষক ও শরীরচর্চার শিক্ষক। ধর্মান্ধ গোষ্ঠী উল্টো প্রচার করছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..