× Banner
সর্বশেষ
হবিগঞ্জে চোখ হারানো আলিফকে দেখতে হাসপাতালে জামায়াতের আমির পরিবার জানে মৃত, সেই আলমগীর বাড়ি ফিরলেন ১৮ বছর পর,স্ত্রী আমেনা বেগম অন্যত্র বিয়ে ডিসি লেক পরিচ্ছন্নতায় মাঠে নামলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ধর্মের নামে বিভাজনের কোনো সুযোগ নেই – স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ধর্ম নয়, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার আগে: তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন কোটালীপাড়ায় পল্লী উন্নয়ন একাডেমি’র ১৮’শ শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলদ ও বনজ গাছের চারা বিতরণ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে দুর্নীতি বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না -বিরোধী দলীয় নেতা রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত দেশের প্রান্তিক পর্যায় থেকে উদীয়মান খেলোয়াড়দের বাছাই করে ক্রীড়া অঙ্গনের সমৃদ্ধি ঘটাতে চাই – প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল কোটালীপাড়ায় ১০ম উপজেলা স্কাউটস সমাবেশের উদ্বোধন

পিআইডি

জাপানে ১ কোটি ১০ লক্ষ জনশক্তির ঘাটতি পূরণ করবে বাংলাদেশ

Kishori
হালনাগাদ: শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
জাপানে ১ কোটি ১০ লক্ষ জনশক্তির ঘাটতি

২০৪০ সালের মধ্যে জাপানের ১ কোটি ১০ লক্ষ জনশক্তির ঘাটতি পূরণে সম্ভব সব ধরণের পদক্ষেপ নেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া।

আজ (৭ নভেম্বর ২০২৫) জাপানের নাগোয়া শহরের এক মিলনায়তনে  ‘বাংলাদেশ- জাপানের জন্য দক্ষ মানবসম্পদ সমৃদ্ধ একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় উৎস’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

জাপান আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণার্থী ও দক্ষ কর্মী সহযোগিতা সংস্থা (JITCO)’র সহযোগিতায় আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

প্রায় ২৫০টি জনশক্তি রপ্তানীকারক প্রতিষ্ঠান এবং নিয়োগকারী সংস্থা সেমিনারে অংশগ্রহণ করে। এবং পরবর্তীতে একটি ম্যাচিং ইভেন্টের আয়োজন করে।

জাপানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. দাউদ আলী স্বাগত বক্তব্যে জাপানে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে দূতাবাস থেকে সব ধরণের সহায়তার আশ্বাস দেন।

সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া তার বক্তব্যে বলেন, ২০৪০ সালের মধ্যে জাপানের প্রায় ১ কোটি ১০ লক্ষ বিদেশি কর্মীর প্রয়োজন হবে, অন্যদিকে বাংলাদেশে বর্তমানে অতিরিক্ত ২ কোটি ৫০ লক্ষ কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী রয়েছে — এ প্রবণতা ২০৪০ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

জাপান ও বাংলাদেশের মানবসম্পদ পরিস্থিতির পরিসংখ্যানগত তুলনা উপস্থাপন করেন।

সিনিয়র সচিব আরও উল্লেখ করেন যে, জাপানের শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী কর্মী প্রস্তুতের জন্য বাংলাদেশে ৩৩টি টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টার (TTC) নির্ধারণ করা হয়েছে এবং প্রয়োজনে এ সংখ্যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। তিনি প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে একটি “জাপান সেল” গঠনের কথাও জানান, যা জাপানি শ্রমবাজারের জন্য সমন্বয় ও যোগাযোগের কেন্দ্র হিসেবে কাজ করবে।

ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশের ও জাপানের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত প্রচেষ্টায় উভয় দেশই উপকৃত হবে।

JITCO-র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শিগেও মাতসুতোমি আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার পরিস্থিতি এবং জাপানের শ্রমবাজারের সম্ভাবনা সম্পর্কে একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

পরে বাংলাদেশি জনশক্তি প্রেরণকারী এবং জাপানি নিয়োগকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ৪টি সমঝোতা স্মারক/চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সেমিনারে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..