× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৩১ মে, ২০১৬

বিশেষ প্রতিবেদকঃ জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় রিভিশন আবেদন খারিজ করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

আজ মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার রাগীব রউফ চৌধুরী।

ব্যারিস্টার রাগীব রউফ বলেন, ‘আমরা এ মামলার বিষয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে (রায়ের কপি হাতে পাওয়ার পর) আজ নিয়মিত লিভ টু আপিল করেছি।’

বিচারের শেষ পর্যায়ে থাকা ওই মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাকে নতুন করে জেরার আবেদন নাকচের পর মামলার কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে দুটি আবেদন করলে ১৫ মে তা খারিজ হয়। এ মামলা পুরান ঢাকায় স্থাপিত বিশেষ আদালতে চলমান। আগামী ২ জুন এ মামলার শুনানির জন্য দিন ঠিক করা আছে।

এর আগে গত ১৭ এপ্রিল এ মামলায় তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নিয়ে আপত্তি তুলে খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরার আবেদন করলে ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদার তা নাকচ করে দেন। ওই আদেশ বাতিল চেয়ে পরদিন হাইকোর্টে দুটি আবেদন করেন বিএনপির চেয়ারপারসন। সেই আবেদনের ওপর তিন দিন শুনানি শেষে ১৫ মে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের বেঞ্চ তা খারিজ করে দেন।

হাইকোর্টের সে আদেশের বিরুদ্ধে আজ লিভ টু আপিল করেন খালেদা জিয়া। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে আসা অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় এ মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

খালেদা জিয়া ছাড়া অন্য চার আসামি হলেন—তাঁর সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের তখনকার সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা এবং ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হারুনুর রশিদ ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেন। পরের বছরের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..