× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি অনিয়ম জেঁকে বসেছে

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৮ মে, ২০১৬

ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বিদ্যুৎ অফিসে দুর্নীতি অনিয়ম জেঁকে বসেছে। এবার নোট সীটের মাধ্যমে ট্রান্সফরমার প্রতিস্থানের কথা বলে আবাসিক  প্রকৌশলী  যুগল বন্ধু রায় ২৪ হাজার ৪শ ২৪ টাকা গায়েব করে দিয়েছেন।

নোট সীটে বলা হয়েছে বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ ওজোপাডিকো লিঃ কালীগঞ্জ,ঝিনাইদহ বিদ্যুৎ সরবরাহের ২নং বাজার ফিডারের ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন ২৫০ কেভিএ অকেজো ট্রান্সফরমার জরুরী ভিত্তিতে আরএমকিউ পদ্ধতিতে উদ্ধার ও ২৫০ কেভিএ ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন কাজের জন্য ২৪ হাজার ৪২৪ টাকার কার্যাদেশের অনুমোদন চাওয়া হয়। অথচ ওই স্থানে কোন ট্রান্সফরমার ছিল না। এছাড়া বিগত ৫/৬ বছরের মধ্যে কোন ট্রান্সফরমার লাগানো হয়নি। তাহলে ওই ট্রান্সফরমার কোথায় গেল তার কোন সদুত্তরও দিতে পারেননি কালীগঞ্জ ওজোপাডিকো লিঃ এর আবাসিক প্রকৌশলী।

সূত্র জানায়, যশোর জেডআরএস থেকে গত জুন ২০১৫ থেকে অক্টোবর ২০১৫ এর মধ্যে কালীগঞ্জ বিদ্যুৎ সরবরাহে কোন ট্রান্সফরমার বরাদ্দ দেয়া হয়নি। তাহলে নোট সীটের মাধ্যমে ২৪ হাজার ৪শ ২৪ টাকা মূল্যের ট্রান্সফরমার টি কোথায় গেল? নোট সীটের যে স্থান থেকে অকেজো  ট্রান্সফরমারটি উদ্ধার ও  নতুন ট্রান্সফরমার টি প্রতিস্থাপনের কথা বলা হয়েছে সেখানে আদৌ কোন ট্রান্সফরমার ছিল না। এছাড়া যেখানে ট্রান্সফরমার স্থাপন করতে হয় সেখানে এইচ পিলার অথবা স্ট্রেকচার থাকতে হয়। কিন্তু ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন কোন স্থানে ট্রান্সফরমার তো দুরের কথা  এসবের কিছুই নেই।  মূলত ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপনের কথা বলে আবাসিক প্রকৌশলী উক্ত টাকা হজম করে ফেলেছেন।

ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ন এলাকার আব্দুল কাদের, কমলা দাস, হালিমা বেগম, একতি বেগম, সন্ন্যাসী, খোকন এবং বেজপাড়া গ্রামের পরিতোষ কুমার সেনসহ  একাধিক নারী ও পুরুষ জানান, ভাটপাড়া মন্দির সংলগ্ল এলাকায় কখনো ট্রান্সফরমার ছিল না। বিগত ৫/৬ বছরের মধ্যেও কোন ট্রান্সফরমার দেয়া হয়নি। তাহলে আপনারা কিসের ট্রান্সফরমার কথা বলছেন? এখানে তো কোন ট্রান্সফরমার নেই।

এ ব্যাপারে ওজোপাডিকো লিঃ কালীগঞ্জের বিদ্যুৎ সরবরাহ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী যুগল বন্ধু রায় কোন সদুত্তর দিতে পারেননি। তবে তিনি বলেন, মন্দির সংলগ্ন বললেই কি মন্দিরের কাছে ট্রান্সফরমার থাকতে হবে? এমন কোন কথা নেই। তাহলে ২৪ হাজার ৪শ ২৪ টাকা  মূল্যের ট্রান্সফরমারটি কোথায় গেল এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি বাইরে আছি, অফিসে এসে দেখে বলতে হবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..