× Banner
সর্বশেষ
পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতিতে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন: অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নতুন বঙ্গভবন প্রধান কে? সক্রিয় মৌসুমি বায়ু: দেশজুড়ে ভারি বৃষ্টির সম্ভাবনা, বাড়তে পারে তাপমাত্রা রাজপথে ছড়ানো গুজবে কান না দেয়ার আহ্বান মির্জা ফখরুলের: নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পালনে সরকার বদ্ধপরিকর দেশের বাজারে সোনার দামে বড় পতন: ভরিতে কমলো ৩৩২৪ টাকা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা ও অনশন ভঙ্গ: যন্তর-মন্তরে কাটল জট, জয়ে ফিরল সাধারণতন্ত্র জগন্নাথদেবের পুনর্যাত্রা আজ: উল্টো রথযাত্রার ধর্মীয় তাৎপর্য, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিক বার্তা সোনম ওয়াংচুক অনশন প্রত্যাহার, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন অব্যাহত আজ ২৪ জুলাই বৈদিক জ্যোতিষে রাশিফল ও গ্রহদোষ প্রতিকারের উপায় সকাল ৯টার মধ্যে ১০ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত ২৪ জুলাই শুক্রবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে

তালায় ইরি-বোরো চাষের বাম্পার ফলন

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৯ মার্চ, ২০১৬

এস.এম মফিদুল ইসলাম, পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি :তালায় এ বছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণ জমিতে ইরি বোরো চাষাবাদ হয়েছে। স্থায়ী জলাবদ্ধতার কারণে বিগত কয়েক বছর উপজেলায় ইরি- বোরো চাষাবাদে কিছুটা বিগ্ন ঘটে। কপোতাক্ষ নদ ভরাট হওয়ার কারণে গত কয়েক বছর তালা উপজেলায় নিচু এলাকার বিল সমুহে বছরের ৬/৭ মাস আবার কোথাও কোথাও পুরো বছর জলমগ্ন ছিল।

বৃষ্টিপাত কম থাকার কারণে এ বছর উপজেলার সকল এলাকায় ব্যাপক হারে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে। আমন চাষ কিছুটা কম হলেও ইরি বোরো চাষাবাদে কিছুটা পুষিয়ে নিতে অনেক আগেভাগেই কৃষক চাষাবাদ শুরু করে।
সরেজমিনে তালার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন বিলে ইরি-বোরো চাষে দিগন্ত জোড়া সবুজ ফসলের সমারোহ।

দক্ষিণা বাতাসে ধানগাছগুলো দোলা খাচ্ছে। ১৫/২০ দিনের ভেতর ধান কাটার কাজ শুরু হয়ে যাবে। উপজেলার শতকরা ৮০ জন কৃষকই সরাসরি কৃষি কাজের সাথে জড়িত।

কৃষিকাজ করেই তারা জীবিকা নির্বাহ করে থাকে। উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ বছর উপজেলায় জলাবদ্ধতা না থাকায় উপজেলার কুমিরা, ধানদিয়া, ইসলামকাটি, নগরঘাটা, খলিষখালী, সরুলিয়া, তেতুলিয়া, তালা সহ উপজেলার সর্বত্রই লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ইরি-বোরো চাষাবাদ হয়েছে।

আবার কিছু কিছু এলাকায় মৎস্য চাষের কারণে পানি সেচের মাধ্যমে দেরিতে চাষাবাদ করা হয়। পাটকেলঘাটার কুমিরা গ্রামের কৃষক জামেদ আলী, নুর আলী গাজী জানান, বিলে এবং মাঠে ধানের জমিতে গিয়ে তাকাতেই যেন শত কষ্ট নিবারণ হয়ে বুকটা জুড়িয়ে যাচ্ছে।

আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে কাটায় মণ পেরিয়ে যাবে। বিশিষ্ট সার ব্যবসায়ী কুমিরা বাসষ্ট্যান্ডের মিলন ও আজিজুল ইসলাম জানান, সময়মত সার সরবরাহ ও সেচ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ার কারণে ধান অনেক ভালো হয়েছে। তবে নিচু এলাকার ধান তুলনামুলক ভালো।

আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে ফলন অনেক ভালো হবে। উপজেলার কুমিরা গ্রামের আব্দুস সালামের পুত্র শহিদুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া ও প্রকৃতির কারণে

এ বছর আমার ব্লকে গতবারের চেয়ে বর্তমানে ধান ভালো বোঝা যাচ্ছে। তাছাড়া এ বছর পানি ও সার কিছুটা কম লেগেছে। আবহাওয়া যদি বিরুপ প্রভাব বিস্তার না করে তাহলে ধানের বাম্পার ফলন হবে। সরুলিয়া ইউনিয়নের প্রভাষক নাজমুল হক জানান, এবার পানি জমে থাকার কারণে কৃষকরা বেশি জমিতে ইরি চাষাবাদ করেছে।
তালা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামসুল আলম জানান, এ বছর আবহাওয়া ভালো থাকার কারণে অনেক এলাকায় চাষাবাদ হয়েছে। রোগ বালাই কম ও আবহাওয়া ভালো থাকায় ফলন অনেক ভালো হবে বলে আশা করছেন তারা। এ বছর উপজেলায় ব্রি-ধান ২৮, বিনা-১০ ও কিছু এলাকায় লবণ সহিঞ্চু ধান চাষাবাদ হয়েছে। সার ও সেচ কার্যক্রম সফল থাকার কারণে এবার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..