× Banner
সর্বশেষ
ওভারথিংকিং ডিটক্স ব্লুপ্রিন্ট বইটির মোড়ক উন্মোচন করলেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, অধিকাংশ জেলায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরছে প্রস্তাবিত কর্পোরেট গভর্ন্যান্স রুলস ২০২৬ নিয়ে আইসিএসবির সিপিডি প্রোগ্রাম মাগুরায় ১০ হাজার গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনের আহ্বান পানি সম্পদমন্ত্রীর মহেশপুর সীমান্ত দিয়ে ৬ জনকে পুশইন চেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ঝিনাইদহে প্রথমবার পালিত হলো বিশ্ব পানিতে ডুবে মৃত্যু প্রতিরোধ দিবস তথ্য ও উপাত্তের ভিত্তিতে নিরপেক্ষভাবে কাজ করাই পেশাদার সাংবাদিকতার মূল দর্শন – তথ্যমন্ত্রী Inner Wheel Club of Dhaka Cosmopolitan 2026–2027 Handover Ceremony & Collar Exchange Program ব্যবসা সম্প্রসারণেই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব, ব্যবসায়ীদের প্রতি পরিবেশমন্ত্রীর আহ্বান

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহে মাল্টা বাগান পাহারা দিতে গিয়ে চোরের হাতে মালিক খুন

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: সোমবার, ২২ আগস্ট, ২০২২
চোরের হাতে মালিক খুন

ঝিনাইদহে মাল্টা বাগান পাহারা দেওয়ার সময় চোরের হাতে মাল্টা বাগানের মালিক মনু পাঠান নামে একজন খুন হয়েছেন। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে  রবিবার(২১আগষ্ট) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে  সদর উপজেলার সাগান্না ইউনিয়নের  বাটিকাডাঙ্গা  গ্রামের এক মাল্টা বাগানে  এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
নিহত কৃষক মনু পাঠান বাটিকা গ্রামের বাসিন্দা। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সোহেল রানা  খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
নিহতের স্ত্রী হালিমা খাতুন জানান, রাত সাড়ে ১০ টার দিকে মাল্টা বাগান পাহারা দিতে যান তিনিসহ স্বামী মনু পাঠান । রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মুখে কাপড় দিয়ে দুই চোর বাগানে ঢুকে পড়ে। তখন চোরদের দেখে ধাওয়া করেন।ধাওয়া খেয়ে এক চোর বাগানের বেড়া টপকে পালিয়ে যায়। অন্যজনকে ঝাপটে ধরেন স্বামী  মনু পাঠান।
এ সময় চোর মনু পাঠানের মাথায় আঘাত করে। সিমেন্টের খুঁটির ওপর গিয়ে পড়ে  ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার। স্ত্রী হালিমা খাতুন ও নাতনি তুলির চিৎকারে প্রতিবেশীরা বাগানে ছুটে এসে মনু পাঠানের লাশ উদ্ধার করে।
সদর থানার ওসি সোহেল রানা রাতেই ঘটনাস্থল পরির্দশন শেষে জানান, নিহত ব্যক্তি এলাকার একজন হতদরিদ্র কৃষক। অজ্ঞাত চোরেরা হত্যা করেছে তাকে। পুলিশ হত্যাকারীদের ধরতে অভিযান শুরু করেছে। চলতি বছর প্রথম ২৫ শতক নিজস্ব জমিতে মাল্টা বাগান করেছিলেন নিহত মনু।
চোরের উপদ্রব থেকে বাগানের মাল্টা রক্ষার জন্য স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি রাতেই পাহারায় যেতেন তিনি। হাতে থাকতো একটি লাঠি। মাঝে মাঝে ছোট ছেলে তুহিন ও নাতনি তুলিও থাকতেন তার সঙ্গে। বাড়ি থেকে বাগানের দুরত্ব অনুমান আধা কিলোমিটার। মনু পাঠানের দুই ছেলে দুই মেয়ে। বড় ছেলে শাহিন থাকেন প্রবাসে। তার মৃত্যুতে পরিবারে চলছে শোকের মাতম।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..