× Banner
সর্বশেষ
ছাত্র আন্দোলনের চাপের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রীর সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়ন এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার উদ্যোগ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহিতা ও সততার নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর ঢাকাস্থ বেনাপোল সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভা ও স্মরণিকা মোড়ক উন্মোচন রাজনৈতিক বিতর্ক ছেড়ে কৃষি উদ্ভাবন ও উৎপাদনে জোর দিন: মির্জা ফখরুল চলতি মৌসুমে পাইকগাছার চারা শত কোটি টাকার চারা বিক্রির সম্ভাবনা ৬ অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত গ্লোবাল এআই লিডারশিপ কনফারেন্স ২০২৬, প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের আহ্বান সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নতুন সম্ভাবনা, প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর ইরানকে অস্ত্র সরবরাহ নিয়ে চীন ও রাশিয়াকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

জনবল সংকটের কারনে ভেঙে পড়েছে মেহেরপুর প্রাণী সম্পদ বিভাগের চিকিৎসা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন খামারিরা

admin
হালনাগাদ: বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০১৬

মেহের আমজাদ, মেহেরপুর: জনবল সংকটের কারনে ভেঙে পড়েছে মেহেরপুর প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসা সেবা। গৃহপালিত ও গবাদি পশুর সেবা না পাওয়ায় হয়রানির শিকার হচ্ছে জেলার তিন উপজেলার ভুক্তভোগিরা। খামারিরাও বঞ্চিত হচ্ছে সেবা থেকে। ফলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন তারা।

জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য মতে জেলার তিনটি উপজেলায় মোট ৪৫ টি পদের মধ্যে ১৭ টি পদই শুন্য রয়েছে। এর মধ্যে অন্যান্য পদে কর্মরত ৬ থেকে ৭ জন কর্মচারি প্রায়ই ট্রেনিং-এ থাকেন জেলার বাইরে। গবাদি পশুর অপারেশনের জন্য একমাত্র পদ ভেটেরিনারি সার্জন, তিন উপজেলায় চার জন থাকার কথা থাকলেও কর্মরত আছে মাত্র এক জন।

সদর এবং মুজিবনগর উপজেলার প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তার পদটিও শূণ্য। মাঠ পর্যায়ে গবাদি পশুর সেবা দানের জন্য তিন উপজেলায় ভেটেরিনারি ফিল্ড এ্যাসিসটেন্টের ৭টি পদ থাকলেও কর্মরত আছে ৩জন। ফলে সেচ্ছাসেবী দিয়ে কাজ চালাতে গিয়ে ব্যহত হচ্ছে সেবা দান। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে গবাদি পশুর খামারি ও ভুক্তভোগিরা।

মেহেরপুর সদর উপজেলার উত্তর শালিকা গ্রামের হাসান আলী জানান, আমি বেশ কয়েকবছর ধরে ছাগল পালন করে আসছি। আমার ১২ টি ছাগল ছিল, গত বছর রোগের কারনে ৭টি ছাগল মারা যায় এতে করে আমি ক্ষতির মুখে পড়ি।

একই গ্রামের খাইরুল শেখ জানান, আমরা ছাগল, গরু কিংবা অন্যান্য পশু পালন করি নিজের উদ্দ্যোগে। প্রাণী সম্পদ বিভাগের কোন সহযোগিতা পাই না। তারা বছরে এক বারও আমাদের খোজ খবর নেওয়ার জন্য আসে না। যদি তারা মাসে এক বার অথবা দুই বার আসতো তাহলে আমরা এই ক্ষতির মুখে পড়তাম না। তার মতো আরো অনেক চাষি জানান, প্রাণী সম্পদ বিভাগের অসহযোগিতার কারণে আমরা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। পাশাপাশি যাদের খামার রয়েছে তারাও চরম বিপাকের মধ্যে রয়েছে।

মেহেরপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা (দ্বায়িত্বরত) ডাঃ মো: রফিকুল ইসলাম জানান, জেলার অনেক পদই শুন্য যে কারনে আমরা সেচ্ছাসেবী দিয়ে কাজ চালাই কিন্তু এই কাজ সম্প্রসারণের জন্য জনবলের প্রয়োজন, খামারিরাও সুবিধা কম পাচ্ছে। জনবল নিয়োগের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা সম্ভব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..