× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

রংপুরে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে গৃহবধূ

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

শেখ মামুন-উর-রশিদ, রংপুর ব্যুরো : রংপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে তাহমিনা (২৭) নামে এক গৃহবধূর গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন দিয়েছে শাশুড় বাড়ির লোকজন।

বৃহস্পতিবার রাতে পীরগাছা উপজেলার দাদোন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই গৃহবধূকে প্রথমে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রংপুর মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। এ ঘটনায় পুলিশ ওই গৃহবধূর স্বামী আব্দুল মান্নানকে আটক করেছে। পুলিশ ওতাহমিনার মা জীবন্নেছা বেগম জানান, উপজেলার পূর্ব চন্ডিপুর গ্রামের তফিল উদ্দিনের মেয়ে রংপুরে হাসপাতালে কাতরাচ্ছে গৃহবধূ সঙ্গে দাদোন গ্রামের মনতে আলীর ছেলে মান্নানের সাথে ১২ বছর আগে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর থেকে স্বামী ও শ্বশুর- শাশুড়ি বিভিন্নভাবে তাহমিনার উপর শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে পারিবারিক বিষয় নিয়ে মা আলেমা বেগমের সঙ্গে ছেলে মান্নানের বাকবিতণ্ডা হয়।

এসময় স্বামীর পক্ষ নিয়ে তাহমিনার কথা বলতে গেলে আলেমা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। একপর্যায়ে তাহমিনার  গায়ে কেরোসিন ঢেলে কুপির আগুন দিয়ে শরীর ঝলসে দেন শাশুড়ি। এতে তাহমিনার  শরীরের অনেকটাই অনেকাংশ পুড়ে যায়। এসময় প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে পীরগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে রংপুর মেডিকেলে ভর্তি করেন। তহমিনা জানান, ১২ বছর ধরে অনেক নির্যাতন সহ্য করেছি। এরপরও তারা বাঁচতে দিল না। এ ঘটনায় শাশুড়ির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।

তহমিনার মামা আব্দুস সামাদ জানান, বিয়ের পর থেকেই তহমিনার উপর বিভিন্নভাবে শারীরিক নির্যাতন চালিয়েছে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। দুই মেয়ে মুন্নী (১০) ও মুক্তার (৮) কথা ভেবে সবকিছু মুখ বুঝে সহ্য করেছিলো তহমিনা। এতেও শেষ রক্ষা হলো না তার। এ ব্যাপারে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক শাহ হাকিম আজমল হোসেন জানান, তহমিনার শরীরের ৫৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।

তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। পীরগাছা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় তাহমিনার বড় ভাই মোস্তফা বাদী হয়ে পীরগাছা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ তাহমিনার স্বামী মান্নানকে গ্রেফতার করেছে। মামলা নং- ২০।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..