× Banner
সর্বশেষ
ধর্মমন্ত্রীর আশু আরোগ্য কামনায় দেশজুড়ে হেফাজতে ইসলামের বিশেষ দোয়া দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি, সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত ১১২ টাকায় সরকারি চাকরি পাওয়া স্বচ্ছ নিয়োগের প্রমাণ: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বাংলাদেশে ২৫-২৬ জুলাই ন্যাশনাল সেমিকন্ডাক্টর সিম্পোজিয়াম ও বিআইইআর সামিট ২০২৬ বগুড়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন ২০২৬-এর খসড়া অনুমোদন, পরিকল্পিত আধুনিক নগর গঠনের উদ্যোগ বাজেট বাস্তবায়নেই সাফল্য, কক্সবাজারকে আধুনিক ডিজিটাল পর্যটন নগরী গড়ার পরিকল্পনা: অর্থমন্ত্রী FICCI FDI Conference 2026-এ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা স্মারক প্রদান বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে FICCI FDI Conference 2026, উন্মোচিত হলো এফডিআই রিপোর্ট মাদারীপুরে বৈশাখী ভাতা ও ঈদ বোনাস না পাওয়ায় দপ্তরিদের শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় ঘেরাও কোটালীপাড়ায় উল্টো রথযাত্রায় ভক্তদের ঢল

তালাকের পর কাবিন করে নারী নির্যাতন ও খোরপোষ এর দাবিতে কোটে মামলা

admin
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৬

মধুখালী প্রতিনিধিঃ মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নের ফুলবাড়ী গ্রামের সামাদ শেখ এর মেয়ে আলেয়ার একই গ্রামে বাড়ির সাথে শামসু এর সাথে বিবাহ হয়। আলেয়ার সংসারে দুটি মেয়ে সাজেদা এবং সুমি ভুমিষ্ট হয়। এরপর থেকে শুরু হয় আলেয়ার ঘরে ঝগড়া বিবাদ স্বামী স্ত্রীর রেশারেশি সংসারে দ্বন্দ কলহ লেগেই থাকে। এক পর্যায়ে আলেয়া এবং শামসুর মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে সংসার ভেঙ্গে যায়। আলেয়া দুটি মেয়ে নিয়ে বাপের সংসারে থাকে এবং মেয়ে দুটি লালন পালন করার জন্য বাপের সংসারে থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কাজকর্ম করে আলেয়া সংসার চালায়। নিজেই বাজার ঘাট করে এমতাবস্থায় মছলন্দপুর গ্রামের তিন সন্তানের জনক মুহাম্মাদ ইদ্রিস শেখ এর কামারখালী বাজারে মুরগির দোকান থেকে মুরগি কেনা বেচা করে বিভিন্ন সময়ে বাকি লেনদেন করায় এভাবে আস্থে আস্থে ইদ্রিসের সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে হটাৎ করে সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর একদিন তারা ফরিদপুর জজকোর্টের এ্যাডঃ মোঃ আনোয়ার হোসেন মিলটন কামারখালী চেম্বরে এভিডেভিট এর মাধ্যমে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। বাপের বাড়ি থেকে আলেয়া সংসার করতে থাকে এবং ইদ্রিস এর কাছ থেকে লুটেপাটে খাওয়া শুরু করে এভাবে দীর্ঘ সাত আট বছর সংসার করার পর আলেয়া নিজেই গত ২৮-০৯-২০১১ইং তারিখে ফরিদপুর জজকোর্টে গিয়ে এ্যাডঃ এম.এ মান্নান খান এর সেরেস্থায় হাজির হয়ে সুস্থ মস্তিস্কে ইদ্রিসকে তালাক দেয়। আলেয়া তালাকনামা গোপন রেখে ইদ্রিসের সাথে সংসার করে প্রায় চার বছরের মধ্যে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং ষড়যন্ত্র করে গত ২৬-০৬-২০১৪ইং তারিখে কামারখালী ইউনিয়নে বাসিন্দা হয়ে আড়পাড়া ইউনিয়নের ম্যারেজ রেজিষ্ট্রার অফিসে গিয়ে নিজের ভাইদের নিয়ে চক্রান্ত মূলক কাবিন করে রাখে যাহা ইদ্রিস জানেনা এভাবে ষড়যন্ত্র মূলক চক্রান্ত করে থাকার পর একদিন পোষ্টের মাধ্যেমে চলে আসে ইদ্রিসের হাতে তালাকের চিঠি এর থেকে জানাজানির পর ইদ্রিস আর আলেয়ার বাড়ি যায়না তখন আলেয়া রেগে ক্ষোভে চক্রান্ত করে জামাই মিরনের নিকট আজেবাজে কথা বলে মিরনকে গরম করে রাখে হটাৎ একদিন দেখে ইদ্রিস ভ্যাননিয়ে ফুলবাড়ি হয়ে সালামতপুর ঘাটে যাচ্ছে এমতবস্থায় সালামতপুর ঘাট থেকে ফেরার পথে ইদ্রিস ফুলবাড়ি মোর আসার পর আলেয়া মিরনকে দিয়ে ইদ্রিসকে চরম ভাবে মারপিঠ এবং অপমান করে লোকজন দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। এইকথা জানার পর ইদ্রিসের ছেলে নয়ন তার বাপের মারাধরা এবং অপমানের কথাবার্তা শুনে রাগান্বিত হয়ে কামারখালী অরুণ সরকারের স-মিলের সামনে থেকে মিরনকে ডাকদিয়ে জিজ্ঞাসা করলে দুইজনের মধ্যে বাকবিতন্ড হওয়ায় এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়। এমতবস্থায় আলেয়া এর জামাই মিরন বাদি হয়ে মধুখালী থানায় নয়ন এবং ইদ্রিস শেখের নামে একটি অর্থ লুটপাটের মামলা দেয় এবং পরে আলেয়া আবার রাগান্বিত হয়ে গত ২৬-১০-২০১৪ইং তারিখের বিবাহ রেজিষ্ট্রার কাবিননামা মিয়ে ফরিদপুর জজকোর্টে নারী নির্যাতন এবং স্বামী দাবি করে যৌতুক ও খোরপোশ আদায়ের লক্ষে একটি মামলা দায়ের করেন তার সাথে আলাপ আলোচনা করে জানা গেল তিনি কাবিনের টাকা ও খোরপোষ আদায় হলে পুনরায় আবার স্বামীকে ছেড়ে দিবে এইতার আশা আকাংক্ষা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..