× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

মেহেরপুরে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা, দেখা দিয়েছে ঔষধ সংকট

admin
হালনাগাদ: রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০১৬

মেহের আমজাদ, মেহেরপুর : আবহাওয়া পরিবর্তনের ফলে মেহেরপুরে ডাইরিয়া, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস সহ ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু সহ বয়স্করা। দিন দিন বেড়েই চলেছে রোগির সংখ্যা।

গত এক সপ্তাহে প্রায় তিন শতাধিক রোগি হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। বেডের অভাবে ওয়ার্ডের মেঝে ও বারান্দায় বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে এসব রোগিদের। দেখা দিয়েছে ঔষধ সংকটও।

কখনও ঠান্ডা কখনও গরম। হঠ্যাৎ করে আবহাওয়া পরিবর্তন হওয়ায় মেহেরপুরে ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু সহ বয়স্করা। যার বেশিরভাগই ডাইরিয়া, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস রোগে আক্রান্ত।

প্রতিদিন ৩০ থেকে ৩৫ জন শিশু সহ বয়ষ্ক রোগি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। ফলে বেডের অভাবে ওয়ার্ডের মেঝে ও বারান্দায় বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে তাদের।

প্রয়োজনের তুলনায় রোগির সংখ্যা বেশি হওয়ায় দেখা দিয়েছে ঔষুধ সংকট। সংকটের কারনে সব রোগিকে দেওয়া হচ্ছে না সেলাইন। ফলে হাসপাতালের বাইরে গিয়ে ঔষধ কিনে আনতে গিয়ে হয়রানি ও বাড়তি অর্থ গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রোগির স্বজনেরা।

গোপালপুর গ্রামের এখলাস হোসেনের স্ত্রী হাফিজা খাতুন জানান, তার মেয়ে হঠাৎ করে ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। বাচ্চা বার বার বমি করে, পেটের গোলযোগের করায় বাচ্চারা অনেক দূর্বল হয়ে পড়ে।

চার থেকে পাঁচ দিন থেকে বাচ্চার ডাইরিয়ায় হয়ে খুবই অসুস্থ ছিল হাসপাতালে নিয়ে এসে সেলাইন দিয়ে এখন বাচ্চা সুস্থ আছে।

মোনাখালি গ্রামের জেসমিন আক্তার জানান, তার মেয়ে সুমাইয়া হঠ্যাৎ করে ডাইরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করিয়েছি। হাসপাতাল থেকে যে সব ঔষধ পাওয়ার কথা সেগুলো পাওয়া যাচ্ছে না তাই হাসপাতালের বাইরে থেকে ঔষধ কিনে নিয়ে আসতে হচ্ছে।

আমঝুপি গ্রামের রানার স্ত্রী দিতি আক্তার জানান, তার মেয়ে নির্জনার বার বার বমি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছিল, শ্বাষকষ্টও শুরু হয়। হাসপাতালে নিয়ে এসে জানতে পারে ডাইরিয়া হয়েছে। এখন হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে বাইরের ঔষুদের দোকান থেকে সেলাইন ও ওষুধ কিনে এনে বাচ্চার চিকিৎসা দিচ্ছি।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র শিশু কনসালটেন্ট ডা. মৃণাল কান্তি মন্ডল জানান, হাসপাতালে যেসব রোগি ভর্তি হচ্ছে তার বেশিরভাগ ডাইরিয়া, নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কিওলাইটিস সহ ঠান্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত।

সেই সাথে অনেক রোগির সেবা দিতে গিয়ে সেলাইন সংকটও দেখা দিয়েছে। তাই এই সব রোগির সেবা নিশ্চিত করতে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষ সহ সকলকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আর এম ও) অলক কুমার দাস জানান, শীতকালে ঠান্ডা জনিত রোগের প্রাদূর্ভাব দেখা দেয়।

হঠ্যাৎ করে শীত বেশি পড়ায় এখন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি রোগি হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে আমরা সাধ্য মত চেষ্টা করছি সকল রোগিকে সেবা দেওয়ার জন্য। সেলাইন সহ ওষুধ সংকটের বিষয়ে সকলের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। দ্রুত এই সংকট কেটে যাবে।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..