× Banner
সর্বশেষ
রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যু; শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা পলাতক জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক রূপান্তরের প্রধান কারিগর যাদু মিয়া – তথ্যমন্ত্রী বিনা চিকিৎসায় কোনো নাগরিক মারা যাবে না – স্বাস্থ্যমন্ত্রী মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টরের সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ঘরের তালা ভেঙে আরএফএল কর্মকর্তার লাশ উদ্ধার, বাইকসহ চম্পট রুমমেট নির্মাণ কাজের গুণগত মানে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না – নৌ প্রতিমন্ত্রী ৩ দফা দাবিতে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলসে ৫ দিনের আন্দোলন, বিক্ষোভ মিছিল ও কর্মবিরতি পালন

স্বামী হত্যা মামলায় স্ত্রী ও তার পরকিয়া প্রেমিকের যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড দিলেন আদালত

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ১৯ জানুয়ারী, ২০১৬

মেহের আমজাদ, মেহেরপুরঃ মেহেরপুরের আমঝুপিতে চাঞ্চল্যকর স্বামী মফেজুদ্দিন হত্যা মামলায় ঘাতক স্ত্রী মোছাঃ মর্জিনা বেগম ও তার পরকিয়া প্রেমিক মাতমকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের করে জেল দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে মেহেরপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক টি এম মুসা ওই রায় দেন।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরনে জানা যায়, মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের কাজিপাড়ার মফেজুদ্দিনের স্ত্রী মোছাঃ মর্জিনা বেগম একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে মাতম এর সাথে পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। পথের কাঁটা দূর করতে স্ত্রী মোছাঃ মর্জিনা বেগম ও তার পরকিয়া প্রেমিক মাতম যোগসাজসে গত ১৯ জুলাই ২০১৩ তারিখ ভোর সাড়ে ৩ টার দিকে ঘরের বারান্দায় ঘুমিয়ে থাকা স্বামী মফেজুদ্দিনকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যা করে। পরে লোক-দেখানে অভিনয় করতে মৃত স্বামীকে কোলে তুলে নিয়ে স্ত্রী মোছাঃ মর্জিনা বেগম মায়া কান্না দেখায়। ওই ঘটনায় পরের দিন অর্থাৎ ২০ জুলাই/১৩ তারিখে মৃত মফেজুদ্দিনের নাতি মোঃ সুমন বাদি হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় পরকিয়া প্রেমিক জুটিকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-২৮। ঘাতক স্ত্রী মোছাঃ মর্জিনা বেগম মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হাড়িয়াদহ গ্রামের মৃত তাহাজুদ্দিনের কন্যা।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই গাজী ইকবাল হোসেন তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশীট প্রদান করেন। মামলায় ৯ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য শেষে বিজ্ঞ বিচারক ওই রায় দেন। সাজাপ্রাপ্ত দু’আসামীকে আজই জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌসুলি ছিলেন অতিরিক্ত পিপি অ্যাড. কাজি শহিদুল হক এবং আসামী পক্ষের কৌসুলি ছিলেন অ্যাড. খন্দকার আব্দুল মতিন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..