× Banner
সর্বশেষ
ঝিনাইদহের ডাকবাংলায় স্কুল শিক্ষকের বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ঝিনাইদহে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত যশোর-বেনাপোল মহা সড়কে বিজিবি অভিযানে ১ কোটি ১০ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণবারসহ আটক-১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দুই বছর: ভোটাধিকার, বিচার ও গণতন্ত্র নিয়ে নতুন প্রত্যাশা রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেফতার আরও ৪১৮ জুলাই ঘোষণাপত্র পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবিতে টিএসসিতে ছাত্রশিবিরের গণজমায়েত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী গণভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নেপালে সামাজিক সম্প্রীতি ও ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট: কাঠমান্ডুর রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবসে ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

করোনার কারণে ১২ ঘন্টায় গার্মেন্টের শিল্পের ১০ কোটি ৩০ লাখ ডলারের অর্ডার বাতিল

Kishori
হালনাগাদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২০
গার্মেন্টস অর্ডার বাতিল

করোনা ভাইরাসের কারণে টালমাটাল জনস্বাস্থ্য ও বিশ্ব অর্থনীতি। বিপর্যস্ত বাংলাদেশের পোশাক খাতও। কোনো রকম সমঝোতা ছাড়াই আকস্মিক সিদ্ধান্তে তৈরি পোশাকের কার্যাদেশ বাতিল করছেন ক্রেতারা। ঘণ্টায় ঘণ্টায় বদলাচ্ছে ক্রেতাদের সিদ্ধান্ত।

মহামারি করোনার কারণে পোশাক শিল্প মালিকদদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ বলছে, গতকাল বুধবারেই ১২ ঘণ্টায় বাতিল ও স্থগিত হয়েছে ১০ কোটি ৩০ লাখ ডলারের বা ১০৩ মিলিয়ন ডলালের কার্যাদেশ।

এ তথ্য জানিয়ে বিজিএমএই বলছে, কাজের অভাবে যেন কারখানা বন্ধ না হয়, সে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনটি। আর ক্ষতির পরিমাণ ও ঝুঁকি মোকাবিলার সামর্থ্য বিবেচনায় সরকারকে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার পরামর্শ অর্থনীতিবিদদের।

বুধবার মাত্র ১২ ঘণ্টায় আকস্মিকভাবে ৯৪ কারখানার ১০৩ মিলিয়ন ডলারের কার্যাদেশ বাতিল ও স্থগিত করেছে ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলো। এ অবস্থায় ব্যবসায়িক নৈতিকতার জায়গা থেকে ক্রেতাদের পাশে থাকার আহ্বান শিল্প মালিকদের। যেন বন্ধ না হয়ে যায় উৎপাদন।

বিকেএমই-এর প্রথম সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম আলী বলেন, করোনার প্রভাবে মারাত্মক প্রভাব পড়েছে গার্মেন্ট শিল্পে। সামনে হয়তো আমরা সঙ্কটের মুখে পড়ার আভাস পাচ্ছি।

বিজিএমই-এর সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, আমরা এখনো ১০৩-৪ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে আছি। কিন্তু প্রতিনিয়ত এটা বদলে যাচ্ছে। আমরা কোনোমতে ফ্যাক্টরি বন্ধ করার পক্ষে না। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশে বাজার থাকবে। কাজেই আমাদেরও একটু শক্ত অবস্থানে যেতে হবে। সেই সঙ্গে একটু হিসাব রাখতে হবে। কোন ক্রেতা কেমন ক্যানসেল করছে। তারাই সব সময় আমাদের মার্ক দেবে। আমরাও তাদের মার্ক দেব।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মালিক-শ্রমিক বিবেচনা না করে প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের এগিয়ে আসা দরকার। যেন বন্ধ না হয় শিল্পের চাকা।অর্থনীতিবিদ ও পিআরআই নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, করোনা ভাইরাসে সারা বিশ্বের অর্থনীতি ক্ষতির মুখে।

অর্থনীতিবিদ জাহিদ হোসেন বলেন, করোনার প্রভাবে যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; সেটার দিক বিবেচনা রেখে তাদের সুযোগ-সুবিধা দেখে সরকারকে সাহায্য দিতে হবে।

পরিবর্তীত বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট মাথায় রেখে শিল্প মালিকদের সতর্কতার সঙ্গে করণীয় ঠিক করার ওপর জোর দিচ্ছেন অর্থনীতি বিশ্লেষকরা।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..