× Banner
সর্বশেষ
মেহেন্দীগঞ্জে উদ্ধার হওয়া ২৮টি বেওয়ারিশ গরু নিলামে বিক্রি সাশ্রয়ী ও নিরাপদ হজ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কাজ করছে সরকার – বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী চূড়ান্ত করার দায়িত্ব পেলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীকে দিল বিএনপির স্থায়ী কমিটি জুলাই শহীদ-আহতদের পরিবারকে সুখবর দিলেন ভূমিমন্ত্রী নড়াইলে জাল দলিলে নামজারি ভূমি অফিসের নায়েবদের ভয়াবহ জালিয়াতি  পাইকগাছায় গাজাসহ আটক এক জনের ৬ মাসের কারাদণ্ড পাইকগাছায় আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের নামে কৃষি ক্যাম্পাসের নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি ১৭ বছরে একটি সরকার ক্ষমতায় থেকে লুটপট করে বাংলাদেশ থেকে ২৯ লক্ষ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে -এসএম জিলানী  গরের বাংলাদেশ সফরের সমাপ্তি, সম্পর্ক জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত

প্রকৃত ব্রহ্মজ্ঞানী যে কারণে দেবতার আরাধনা করে না

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২০

দেবাশীষ মুখার্জী, কূটনৈতিক প্রতিবেদকঃ যে নিজেকে প্রকৃত ব্রহ্মজ্ঞানী ভাবে সে দেবতার আরাধনা করে না। এই জগৎ আগে ব্রহ্মরূপেই ছিলো, ছিলো ব্রহ্মময়। সর্বশক্তিমান তিনি যে মুহূর্তে নিজেকে নিজে জানালেন- ‘অহং ব্রহ্মাস্মি’- অর্থাৎ ‘আমিই ব্রহ্ম’, অমনি তিনি সবকিছু হয়ে সর্বাত্মক হলেন। দেবতাদের মধ্যেও যিনি নিজেকে ব্রহ্ম সদৃশ বলে জেনে জাগ্রত হলেন, তাঁরাও সর্বাত্মক হয়েছিলেন। অতএব ঐ একইভাবে ঋষি ও মনুষ্যের মধ্যে যিনি নিজেকে ‘অহং ব্রহ্মাস্মি’ বলে জানেন তিনিই এই সব হন। ঋষি বামদেব ব্রহ্মজ্ঞানে জ্ঞানী হয়ে বলেছিলেন- ‘আমি মনু হয়েছিলাম’; ‘আমিই সূর্য হয়েছিলাম’। যিনি নিজেকে নিশ্চিত ভাবে জানেন ‘আমি ব্রহ্ম’, তিনি এইরকমই হন।

কারণ তাঁর আত্মা তখন সর্বব্যাপী। তাই দেবতারও সাধ্য থাকে না তাঁর বিরুদ্ধে যাবার বা তাঁর ক্ষতি করার। আর ব্রহ্মজ্ঞানে অজ্ঞানী মানুষ যাঁরা দেবতাকে নিজেদের থেকে স্বতন্ত্র ভেবে আরাধনা করেন তাঁরা জানে না যে,তাঁরা দেবতার নিকট পশুর তুল্য। এক এক দেবতার উপাসনা করেই তারা জীবনকে ধন্য মনে করে। মানুষ যেমন পশু-গৌরবে গৌরব-বোধ করে, দেবতারাও তেমনি একই রকমের মানুষ-পশু পেয়ে খুশিই থাকেন।

একটি পশু চুরি গেলে বা নষ্ট হয়ে গেলে মানুষের যেমন ক্ষতি বোধ হয়, দেবতাদের ক্ষেত্রেও ঠিক তাই। কোন সেবক মানুষ-পশু যদি নিজেকে একবার পশুত্ব-পাশ থেকে মুক্ত করে তত্ত্বজ্ঞ, আত্মজ্ঞ, ব্রহ্মজ্ঞ হয়ে ওঠে, তাহলে দেবতারা তার সেবা আর পেতে পারে না। তাই দেবতারা চান না, মানুষ ব্রহ্মজ্ঞ হোক, ব্রহ্মজ্ঞান লাভ করুক।’

ব্রহ্ম বা ইদমগ্র আসীৎ, তৎ আত্মানম্ এবাবেৎ- অহং ব্রহ্মাস্মি ইতি। তস্মাৎ তৎ সর্বমভবৎ। তদ্ যো যো দেবানাম্ প্রত্যবুধ্যত স এব তৎ অভবৎ। তথা ঋষীণাং তথা মনুষ্যাণাং, তদ্ধৈতৎ পশ্যন্-ঋষির্বামদেবঃ প্রতিপেদেহহং মনুরভবৎ সূর্যশ্চেতি। তৎ ইদম্নপি এতর্হি য এবং বেদাহং ব্রহ্মাস্মীতি স ইদং সর্বং ভবতি তস্য হ ন দেবাশ্চনাভূত্যা ঈশতে। আত্মা হি এষাং স ভবতি। অথ যোহন্যাং দেবতাম্ উপাস্তে অন্যঃ অসৌ অন্যোহহমস্মীতি ন স বেদ যথা পশুরেবং স দেবানাম্ । যথা হ বৈ বহবঃ পশবো মনুষ্যং ভুঞ্জুঃ এবমেকৈকঃ পুরুষো দেবান্ ভুনক্তি। একস্মিন্ এব পশৌ আদীয়মানোহপ্রিয়ং ভবতি, কিম্ উ বহুষু। তস্মাদেষাং তন্ন প্রিয়ং যদেতৎ মুনষ্যা বিদ্যুঃ।। (বৃহদারণ্যক: ১/৪/১০)।। (বৃহদারণ্যক: ১/৪/১০)।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..