× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

মাছ খেয়ে এক রাতেই ‘বুড়ি’ হয়ে গেলেন ২৬ বছর বয়সী বধূ

Brinda Chowdhury
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২০

ভিয়েতনামের ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ থি ফুয়ং। সুখের সংসার ভালোই চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই এক সামুদ্রিক মাছ খেয়ে বুড়ি হয়ে গেলেন তিনি!

তাকে সারিয়ে তুলতে স্বামীর সব সম্পদ ব্যয় করলেও শেষ পর্যন্ত সুস্থ হতে পারেননি। সবকিছু মেনে নিয়ে স্ত্রীকেই আঁকড়ে রেখেছেন স্বামী। বর্তমানে তারা সুখেই আছেন।

ভিয়েতনাম নেট ব্রিজ নামে একটি অনলাইনের খবরে বলা হয়েছে, তিন বছর আগে স্বামী ঘরে এনেছিলেন এক অজানা সামুদ্রিক মাছ। বেশ আগ্রহ নিয়েই থি রান্না করেছিলেন সেই মাছ। কিন্তু সেই মাছ খাওয়ার পর বদলে যায় চেহারা।

মাছ খাওয়ার পর প্রথমে তার শরীরে অ্যালার্জি দেখা দেয়। পুরো শরীর চুলকাতে থাকে। সহ্য করতে না পেরে ডাক্তারের কাছে যান। কিছু অ্যালার্জির ওষুধ নিয়ে ফিরে আসেন। এসে বিছানায় ঘুমিয়ে পড়েন।কিছুক্ষণ পর তার স্বামী তাকে একজন বুড়ি হিসেবে দেখতে পান। প্রথমে তিনি ঘাবড়ে যান। কিন্তু পরে বুড়ির কণ্ঠ শুনে বুঝতে পারেন তিনি তার স্ত্রী।

এই দুরবস্থা দূর করতে বহু ডাক্তারের কাছে গিয়েছে ওই দম্পতি। কিন্তু তাতেই কোনো কাজ না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত তারা চীনে যান ডাক্তার দেখাতে।

চীনের ডাক্তার জানান, তারা যে মাছ খেয়েছিলেন তাতে এক ধরণের বিষ ছিল। সেই বিষে আক্রান্ত হন স্ত্রী। এই রোগের জন্য যে ওষুধ খেতে হবে তা অনেক দামী।শেষ পর্যন্ত স্বামী তার প্রায় সব সম্পদ বিক্রি করে স্ত্রীর জন্য সেই ওষুধ কেনেন। কিন্তু তাতেও কোনো উন্নতি হয়নি।

এই দম্পতি এখন প্রায় নিঃস্ব। তবে তাতে তাদের দুঃখ নেই। স্বামীর মন্তব্য, স্ত্রী বেঁচে আছে এবং আমার আছে সেটিই এখন বড়। আর স্ত্রীর সন্তুষ্টি, এই অবস্থা স্বামী তাকে ভালোবাসে সেটিই বড়।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..