× Banner
সর্বশেষ
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও পরীক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে – ককরোচ পার্টি কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬ উদ্বোধন নড়াইলে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর যশোরে বিজিবির অভিযানে ৪৬ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা মূল্যের ২ পিচ স্বর্ণবারসহ আটক-১ ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় এমপি গাজী নজরুল ইসলামের শ্যামনগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা রোগ শনাক্তে ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে স্বাস্থ্যকর্মীরা -স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘরে ঘরে স্বাস্থ্য পরীক্ষা কার্যক্রম চালু করা হবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী শৈলকুপায় ট্রাক চাপায় পথচারী নিহত হরিণাকুন্ডুর সোনাতনপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ঘাটতির পর বেনাপোল কাস্টমসের নতুন লক্ষ্য ১০,৫৮৮ কোটি

মানুষ যখন আগুনে ঝলসে খাবার খেতে শিখলো, কেমন ছিল সেই সময়টা

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯

মানুষ প্রথমবারের মত যখন আগুন জ্বালাতে শিখলো, আগুনে ঝলসে খাবার খেতে শিখলো, কেমন ছিল সেই সময়টা?

আদিম জনগোষ্টিদের নিয়ে লেখা গল্পটা পড়ে নেই তাহলেঃ

সবাই মিলে বেশ বড়সড় সাইজের একটা মোষ শিকার করেছে আজ। ধারালো হাতিয়ার দিয়ে ছাড়ানো হয়েছে চামড়াগুলো। রোদে শুকিয়ে পরে ব্যবহার করা হবে। আর হাড়গুলো আলাদা করে শুকানো হবে পরে হাতিয়ার তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য। মাঝে কয়েকদিনের ক্ষুধার্ত সকলের চোখ যেন আনন্দে চক চক করছে। কিন্তু না, এখনই খাওয়া যাবে না।

আগুন জ্বালানো হয়েছে মাঠের মাঝে। রাতের আঁধারে সেই আগুনে আলোয় দারুণ লাগছে চারিদিক। গোত্রের ছেলে মেয়ে, শিশু বুড়ো সবাই আগুন ঘিরে নাচছে, গান গাইছে। এভাবে খাদ্যের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছে কল্পনার ঈশ্বরকে।

প্রায় এক ঘণ্টার মত আগুনে পোড়ানোর পর একজন আগুনে ঝলসানো মাংসের একটা টুকরো হাতে তুলে নিলো। মুখে দিতেই আনন্দের আতিশয্যে নেচে উঠলো। গোত্রের অন্যরা
একে একে সবাই ছুটলো ঝলসানো মাংসগুলো চেখে দেখতে। আগুনে পোড়া মাংসের স্বাদ, নরম শরীর, সে এক অদ্ভুত অনুভূতি । শুরু হলো খাবারে আগুনের ব্যবহার।

কেন যেন একা একা ঘুরতে ভাল লাগে ছেলেটার । হাঁটতে হাঁটতে পাহাড়ের মাঝামাঝিতে উঠে এসে দাঁড়ালো ছেলেটা। এই জায়গাটা প্রায় সমতল। আশপাশটায় খরগোশের গর্তে ভর্তি।
ঝোপের আড়াল থেকে একটা খরগোশের গায়ে ছুঁড়ে মারে তার তীক্ষ্ম অস্ত্র। কিছুক্ষণ আর্তনাদ করে মারা যায় খরগোশটা। মৃত খরগোশটাকে তুলে নিয়ে পিঠের ওপর রাখলো। আরো ক’টা ধরার ইচ্ছে ছিলো, কিন্তু চোখ পড়লো হঠাৎ পাহাড়ের অন্যদিকে। ওদিকটাতে কেমন যেন ছাইয়ের স্তূপ দেখছে, মনে হচ্ছে ধ্বংস হয়ে গেছে বেশ বড় একটা জায়গা,

খরগোশ ধরা বাদ দিয়ে ঐদিকটাতে গেল সে। গতকাল রাতে একটা আওয়াজ শুনেছিলো অবশ্য। আকাশ থেকে কিছু পড়ার আওয়াজ। এখন মনে হচ্ছে, ব্যাপারটা এখানেই ঘটেছে। কী যে পড়েছে, এই জায়গাটা দুমড়ে বিরাট গর্ত হয়ে গেছে, আবছা আগুনের তাপ আসছে যেন গর্ত থেকে।

আরেকটু ভাল করে দেখতে যাবে, অমনি ওর পিঠ থেকে পিছলে পড়ে গেল মৃত খরগোশের দেহটা। ছেলেটা সবকিছু ছাড়তে পারে, কিন্তু শিকার করা খাবারকে ছাড়তে রাজী না।

দ্রুত বড় একটা ডাল খুঁজে এনে, অনেক কষ্টে খোঁচাতে খোঁচাতে শেষ পর্যন্ত তুলে আনলো দেহটাকে। কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে তপ্ত ছাইয়ের নিচে থাকায় এটা বেশ গরম। হালকা ঝলসানো অবস্থা যেন। নিজের ওপর রাগ হচ্ছিলো গ্যাক এর। কী দরকার ছিল এখানে আসার, এখন খাবারটাই নষ্ট হল!

খানিক ঠাণ্ডা হবার পর চামড়াটা ছিলে মাংসটা মুখে দিল সে। কাঁচা মাংসে অভ্যস্ত  জিভ যেন অদ্ভুত এক স্বাদ পেল। হালকা নরম অনুভূতি পেল তীক্ষ্ম শক্তিশালী দাঁত।  নিজ মনেই বলে উঠলো “দারুন তো”


এ ক্যটাগরির আরো খবর..