× Banner
সর্বশেষ
দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উপদ্রুত এলাকায়  আশ্রয় ও ত্রাণ কার্যক্রম বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনই আমাদের অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী দেশের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সর্বশেষ তথ্য এবং উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম শিক্ষা ও কারিগরি খাতে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী সিঙ্গাপুর বাংলাদেশ-চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠকে রোহিঙ্গা ও করিডোর নিয়ে আলোচনা প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেক সভা চলছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের সাক্ষাৎ মধুখালীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্কাউট সভাপতি ও ইউনিট লিডারদের সাথে মতবিনিময় সভা যখনই বাংলাদেশের জনগণ বিপদে পড়েছে, চীন পাশে দাঁড়িয়েছে – ইয়াও ওয়েন দিল্লি বিক্ষোভের পর মোদি সরকারের কাছে রাহুল গান্ধীর ৫ দফা দাবি

শ্রীমঙ্গলে ‘চাকা’ মঞ্চায়ন

Kishori
হালনাগাদ: শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৯

মাহমুদ খান, নিজস্ব প্রতিনিধি মৌলভীবাজার: শরতের এক তপ্ত বিকেলে সবাই যখন ঘেমে নেয়ে অস্থির তখন একদল মানুষ এই তীব্র গরম উপেক্ষা করে মঞ্চে প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন নাটক মঞ্চায়নের। প্রান্তিক থিয়েটারের নাট্যকর্মীদের প্রচেষ্টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মঞ্চায়িত হলো নাট্যকার সেলিম আল দীন রচয়িত ‘চাকা’ নাটকটি।

শুক্রবার (৩০ আগস্ট) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গলের মহসীন অডিটোরিয়ামের কানায় কানায় পূর্ণ হল রুমে পিনপতন নীরবতার মধ্য দিয়ে মঞ্চায়িত হয় নাটকটি। দর্শকরা মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন এই মঞ্চায়ন। নাটকের নির্দেশনা দিযয়েছেন জুয়েল কবির।
চাকা নাটকের আখ্যানে রয়েছে গরুর গাড়িতে করে ভুল ঠিকানায় একটি লাশের এগিয়ে চলা ৷ একটি অন্যায় মৃত্যুর দায় রাষ্ট্র কীভাবে চাপিয়ে দিচ্ছে

প্রান্তিক মানুষের ওপর, তা এই নাটকটির মূল প্রতিপাদ্য। স্বৈরাচার এরশাদ সরকারের সময় হাকিম আলী গায়েনের কাছ থেকে গল্পটি শুনেছিলেন এই নাটকের রচয়িতা সেলিম আল দীন। আর সেই গল্পটিতেই পরবর্তীতে নাট্যরূপ প্রদান করেন তিনি। নাটকের কাহিনী এগিয়ে চলে চাকার পরিভ্রমণের সঙ্গে। সামনে পড়ে থাকে আদিগন্ত পথ। চাকার গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরা গন্তব্যে পৌঁছানোর লক্ষ্যে রওয়ানা দেয় এক অপঘাতে মৃত্যুবরণকারীর লাশ নিয়ে। যেতে যেতে লাশের সঙ্গে গড়ে ওঠে তাদের সখ্যতা।

লাশের শোকগ্রস্ততা তাদের শোকাহত করে। ভুল ঠিকানায় যেতে যেতে লাশে পচন ধরে। কিন্তু তারা পিঁপড়াকে পর্যন্ত খেতে দেয় না লাশের পচাগলা অংশ। পথ চলতে চলতে এ লাশই হয়ে ওঠে তাদের আপনজনস্বরুপ। গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরা তাদের জীবনবাজি রেখেও লাশের দেহকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। নাটকের শেষ দৃশ্যে দেখা যায় সেই লাশের ঠিকানা খোঁজে না পেয়ে গাড়োয়ান ও তার সঙ্গীরাই লাশটিকে কবরস্থ করে।

নাটকটিতে অভিনয় করেছেন প্রান্তিক থিয়েটারের নীলকান্ত দেব, প্রসেনজিত রায় পুলক চক্রবর্তী, অনিক কুমার ভট্টাচার্য, মৃনাল কান্তি দেব, অপরাজিতা দেব, নীলিমা রাণী দেব, ঝুমা আক্তার। শব্দ যন্ত্রে ও সঙ্গীতে ছিলেন শেলী সূত্রধর, প্রনবেশ কুমার চৌধুরী, পার্থ দাশ, মলয় দত্ত, বাঁধন, তূর্য্য, ত্রিদিব।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..