× Banner
সর্বশেষ
কোটালীপাড়ায় রুদ্রিকা দে রিংকি’র অন্নপ্রাশন ও ভাগবত পাঠ অনুষ্ঠিত আজ বিশ্ব মস্তিষ্ক দিবস (World Brain Day), জেনে নিন মানিসক স্বাস্থ্য ভালো রাখার টিপস ১৭ জেলার নদীবন্দরে ঝড়ের সতর্কতা, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস আজ বুধবার (২২ জুলাই) আপনার রাশিফলে কী রয়েছে আজ ২২ জুলাই  বুধবার পঞ্জিকা ও ইতিহাসের এইদিনে বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি কমাতে শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে – আইনমন্ত্রী মাহ্দী আমিনের সাথে জ্যঁ পেম-এর সাক্ষাৎ বাংলাদেশে মানসম্পন্ন উন্নত আধুনিক চিকিৎসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বারবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশের প্রতিমাসে ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকার চাঁদাবাজি

admin
হালনাগাদ: শনিবার, ২১ জুলাই, ২০১৮

স্টাফ রিপোর্টার,ঝিনাইদহ॥ ২১জুলাই’২০১৮:  ‘ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ বারবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশের চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে বাস-ট্রকের মালিক ও চালকরা। প্রতিদিন গভির রাত থেকে সকাল পর্যন্ত চলে হাইওয়ে থানা পুলিশের চাঁদাবাজি। প্রতিমাসে বারবাজার হাইওয়ে থানা পুলিশকে কমপক্ষে ৭ থেকে ৮ লক্ষ টাকা চাঁদা দিতে হয় তাদের। চাঁদার টাকা সরাসরি ওসি নজরুল ইসলাম গ্রহণ করেন বলে অভিযোগ ভূক্তভোগীদের। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বারবাজার হাইওয়ে থানার ওসি নজরুল ইসলাম।

সূত্রটি জানায় যশোর খাজুরা রোড থেকে গাড়ি আটক করে আকবার ফিলিং ষ্টেশনে গাড়ি রেখে আসা হয়। তারপর গাড়ির মালিকদের হাইওয়ে থানায় দেখা করতে বলা হয়। সন্ধায় গাড়ির মালিকরা এলে তাদের গাড়ির বিভিন্ন কাগজ পত্রের ত্রুটি দেখিয়ে প্রথমে তাদের কাজ থেকে ৮ থেকে ১০হাজার টাকা নেয়া হয়। তারপর প্রতিমাসে ৪ থেকে ৫হাজার টাকা চুক্তি করে ছেড়ে দেয়া হয়। আর এসব কাজ করে থাকেন হাইওয়ে থানার আদায়কারি কনেস্টবল বাবুল। যিনি সাদা মটরসাইকেলে ঘুরেবেড়ান আর নিজেকে সার্জেন্ট পরিচয় দেন এবং হাইওয়ে থানার আশেপাশের ইট ভাটা থেকে ও তিনি টাকা আদায় করে থাকেন।

সূত্রটি আরো জানায়, যেসব গাড়ীর গাঁয়ে মুক্তার মটরস্ ঝিনাইদহ, বাদশা মটরস্ ঝিনাইদহ, মুন্সী মটরস্ ঝিনাইদহ, একতা মটরস্ ঝিনাইদহ, আরাফাত মটরস ্কুষ্টিয়া, কে.এম মটরস্ যশোর, সুজন মটরস্ কুিষ্টয়া, আয়শা মটরস্ মাগুরা, আলিফ মটরস্ সাতক্ষীরা, এপ্রিল সাতক্ষীরা, মাহিম এন্টার প্রাইজ, ব্রাদার্স এন্টার প্রাইজ, রিভার ভিউ ফিলিং ষ্টেশন, মাসুদ মটরস্ কানাইপুর ফরিদপুর, মেসার্স আল-বোরাক ট্রান্সপোর্ট এজেন্সী, হাক্কানী মটরর্স, জে কে পণ্য পরিবহন সংস্খা ঝিনাইদহ, একতা এন্টার প্রাইজ, এস এম কে কুষ্টিয়া-এর ষ্টিকার ও মোবাইল নাম্বার লেখা আছে এসব গাড়ি থেকে মাসিক চুক্তি হিসাবে টাকা নেয়া হয়। হাইওয়ে যেসব বাস-ট্রাকে এসব স্টিকার দেখে সে গাড়ি চেক না করে ছেড়ে দেয় বলে সূত্রটি নিশ্চিত করেছে।

সূত্রটি আরো জানায়, বারবাজার হাইওয়ে থানার আওতাধীনে চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুরা ও যশোর জেলা রয়েছে। এর মধ্যে যশোরের নাভারনে ১টি, মাগুরার রামনগরে ১টি ও কুষ্টিয়াার চৌড়হাসে ১টিসহ মোট তিনটি হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি আছে। এসব জেলার মহাসড়ক ও আঞ্চলিক মহাসড়কে চলাচলকারী বাস-ট্রাক, মাইক্রো, সিএনজি থেকে প্রতিসাসে প্রায় ১ লাখ টাকা গোপনে নেয়া হয়। এর মধ্যে কালীগঞ্জের মাইক্রো থেকে ৬ হাজার, ঝিনাইদহের মাইক্রো থেকে ৬ হাজার, যশোর জেলা মাইক্রো থেকে ১০ হাজার, চুয়াডাঙ্গা জেলার মাইক্রো থেকে ৮ হাজার, কোটচাঁদপুরের মাইক্রো থেকে ৫ হাজার, সাতমাইল মাইক্রো থেকে ৪ হাজার, জুয়ার মাইক্রো থেকে ২০ হাজার টাকা, রাস্তার পাশের ২২ টি তেলের দোকানীর কাছ থেকে ২ হাজার করে ৪৪ হাজার, মজুমদার থেকে ৩ হাজার, বাদশা মটরস্ ঝিনাইদহ থেকে ৭ হাজার, মাসুদ মটরস্ কানাইপুর ফরিদপুর থেকে ৪ হাজার, আরাফাত মটরস্ কুষ্টিয়া ৫ হাজার, বারবাজার-যশোর রুটে চলাচলকারী সিএনজি থেকে ১৮ হাজারসহ ৩২টি বিভিন্ন খাত থেকে প্রতি মাসে সাত থেকে আট লক্ষ টাকা মাসিক চুক্তিতে আদায় করা হয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বারবাজার-থেকে কালীগঞ্জগামী একাধিক সিএনজি ড্রাইভার জানান, সিএনজি থেকে প্রতিমাসে বারবাজার হাইওয়ে থানাকে মোটা অংকের টাকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। মাসিক টাকা না দিলে আমাদের বিভিন্ন কারন দেখিয়ে মামলা দেয়া হয়। এ ব্যাপারে বারবাজার হাইওয়ে থানার ওসি নজরুল ইসলাম মাসিক টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, কেউ টাকা নিলে আমি জানতাম। কোন বানোয়াট রিপোর্ট করবেন না। যদি নির্দিষ্ট কোথাও থেকে টাকা নিয়ে থাকি তাহলে বলেন। নির্দিষ্ট কয়েকটি খাত থেকে টাকা নেওয়ার কথা বললে তিনি এ প্রতিবেদকের কথায় বিরক্তি প্রকাশ করেন।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..