× Banner
সর্বশেষ
জুলাই শহিদ পরিবার ও যোদ্ধাদের মর্যাদা নিশ্চিত করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব – ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে সরকার – মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশের পথচলা শুরু হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘর থেকে – অধ্যাপক ইউনূস জুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে – তথ্যমন্ত্রী ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল কাস্টমসে স্বর্নবারসহ পাসপোর্টধারী আটক লাল টেলিফোনে শেখ হাসিনার কল রেকর্ড শুনলেন প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান অনুষ্ঠান বয়কট করে অডিটোরিয়াম ত্যাগ করলেন এনসিপি নেতারা প্রতি উপজেলায় জুলাই শহীদদের নামে প্রতিষ্ঠান তৈরি হবে – তথ্য প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য – প্রধানমন্ত্রী হঠাৎ মেয়ে থেকে ছেলে হয়েছে কেয়া আক্তার, বাড়িতে উৎসুক জনতার ভিড়

সিঙ্গাপুরে দেড় কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে আল আরাফাহ ব্যাংকের পরিচালক বদিউরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

admin
হালনাগাদ: মঙ্গলবার, ২৬ জুন, ২০১৮

বাংলাদেশ থেকে দেড় কোটি টাকারও বেশি অর্থ সিঙ্গাপুরে পাচারের অভিযোগে আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের সাবেক চেয়ারম্যান ও পরিচালক বদিউর রহমানের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং আইনে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার রাজধানীর মতিঝিল থানায় দুদকের উপপরিচালক জালাল উদ্দিন আহাম্মদ বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বদিউর রহমান আল আরাফাহ ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালে সিঙ্গাপুরে এম এস এরিয়েল মেরিটাইম প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। যেখানে তিনি ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা স্থানান্তর করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে।

মামলার এজাহার সূ্ত্রে জানা যায়, বদিউর রহমান ১৯৯৫ সাল থেকে অদ্যাবধি আল আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের (বাংলাদেশ) পরিচালক হিসেবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন। তিনি ২০০৮ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ওই ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালীন বদিউর রহমান সিঙ্গাপুরে ২০০৩ সালে এম এস এরিয়েল মেরিটাইম প্রাইভেট লিমিটেড নামে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন। কোম্পানিটি তিনজন পরিচালক নিয়ে (দুজন শেয়ার হোল্ডারসহ) যাত্রা শুরু করে। অনুমোদিত মূলধন ১০ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার ও পরিশোধিত মূলধন ছিল ৫০ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার। এর মধ্যে বদিউর রহমান বিনিয়োগকৃত মূলধনের পরিমাণ ২৫ হাজার সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ৮ লাখ ২৫ হাজার টাকা (২০০৩ সাল)। ২০০৪ সাল থেকে উক্ত কোম্পানির একক মালিকানা অর্জন করে পরিচালনা করে আসছেন এবং এ সময়ে কোম্পানির পরিশোধিত মূলধন বৃদ্ধি পেয়ে ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলারে উন্নীত হয়। অর্থাৎ এ সময়ে ওই ৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকা সিঙ্গাপুরস্থ কোম্পানির মূলধন বাবদ বদিউর রহমান বিনিয়োগ করেন। ওই ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের ক্ষেত্রে তার মূলধনের বৈধ উৎস বিষয়ে বদিউর রহমান গ্রহণযোগ্য কোনও প্রমাণাদি উপস্থাপন করতে পারেননি।

৫ লাখ সিঙ্গাপুরি ডলার সমমূল্যের বাংলাদেশি ১ কোটি ৬৮ লাখ ৩৮ হাজার ৮০০ টাকার প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা গোপন করে দেশে বিদ্যমান আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সিঙ্গাপুরে পাচার করে কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করে এবং তা ভোগ করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন বলে বদিউর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।


এ ক্যটাগরির আরো খবর..