৩ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৮০৬ কোটি ডলার

বিশেষ প্রতিবেদকঃ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এই ৩ মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৮০৬ কোটি ডলার। ২০১৭ সালের একই সময়ে যা ছিল ৭২১ কোটি ডলার। চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে তৈরি পোশাক থেকে রপ্তানি আয় বেড়েছে ৮৪ কোটি ২৫ লাখ ডলার। এর আগের বছরের একই সময় থেকে যা ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ বেশি।

বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম কম হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের গার্মেন্টস খাত এগিয়ে চলেছে। মূলত রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার কারণে এটা হচ্ছে। এই সময়ে উৎপাদনও বেড়েছে বলে জানান তিনি।

আগের প্রান্তিক থেকে এ সময়ে রপ্তানি বেড়েছে ৪৩ কোটি ২৯ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৬৮ শতাংশ। তৈরি পোশাক বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানি খাত। দেশের মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ৮৫ শতাংশই এখান থেকে এসেছে সবশেষ প্রান্তিকে। বাংলাদেশ মালয়েশিয়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্টি (বিএমসিসিআই) এর সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন বলছেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা আসে, তার মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ আসে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে।

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের এ খাতে এগিয়ে আসার কারণে এই সফলতা আসছে জানিয়ে তিনি বলেন, তৈরি পোশাক খাতে উৎপাদন বাড়ছে। এর ফলে রপ্তানি আয়ও ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে এ খাতে বায়াররাই বাংলাদেশ থেকে বেশি সুবিধা নিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, উৎপাদন একদিকে বাড়ছে, অন্যদিকে রপ্তানিকারক প্রত্যাশা মতো মূল্য পাচ্ছে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রায় ৪০ মানুষ সাড়ে ৪ হাজার গার্মেন্টেসে কর্মরত। এক যুগ আগেও যা ছিল ২০ লাখ। যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, স্পেন, ইতালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস ও কানাডা প্রধানত বাংলাদেশ থেকে গার্মেন্টস পণ্য আমদানি করে থাকে। সবশেষ প্রান্তিকে এই ৯টি দেশে রপ্তানি হয়েছে ৬৪৪ কোটি ডলারের পোশাক পণ্য।

এই সংবাদটি শেয়ার করুন

FacebookXLinkedInPinterestWhatsApp
admin
লেখক / প্রতিবেদক

admin

এই প্রতিবেদকের আরও সংবাদ পড়তে নামের উপর ক্লিক করুন।

💬 মন্তব্য করুন

আপনার ইমেইল প্রকাশিত হবে না।